বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ‘অপ্রীতিকর পরিস্থিতি’র মুখে পড়ছেন মেখলা | daily-sun.com

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ‘অপ্রীতিকর পরিস্থিতি’র মুখে পড়ছেন মেখলা

ডেইলি সান অনলাইন     ১৬ নভেম্বর, ২০১৮ ২০:৩০ টাprinter

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ‘অপ্রীতিকর পরিস্থিতি’র মুখে পড়ছেন মেখলা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দাঁতন থানা আয়োজিত কালীপুজোর জলসায় মাতাল পুলিশকর্মীদের আচরণে  অপমানিত গায়িকা মেখলা দাশগুপ্ত সেদিনের ঘটনা নিয়ে ফেসবুক লাইভ করেছিলেন। সেই ‘ফেসবুক লাইভ’-ই তাঁর মানসিক উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ।

 

মেখলা বলেন, ‘‘সেদিন মত্ত অবস্থায় দাঁতনের কয়েকজন পুলিশকর্মী আমাকে নাচার জন্য কয়েকটি গান গাইতে বলেছিলেন। সেই গানগুলির কথা আমি ফেসবুকে বলেছিলাম। যেখানেই আমি এখন অনুষ্ঠান করতে যাচ্ছি, সেখানেই ইচ্ছাকৃতভাবে সেই গানগুলি আমাকে গাইতে অনুরোধ করছে মত্ত দর্শকেরা। আমাকে হাসির খোরাক করা হচ্ছে। আমি ফেসবুক লাইভ প্রাইভেট করে দিয়েছি। ’’

 

মেখলার অভিযোগ, গত শনিবার রাতে দাঁতন থানা আয়োজিত কালীপুজোর জলসায় গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর। ফেসবুক লাইভে সেই অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, মাতাল কয়েকজন পুলিশকর্মী তাঁকে ‘লায়লা ম্যায় লায়লা’, ‘দো ঘুঁট মুঝে ভি পিলা দে’ এবং ‘মুঙ্গরা’ জাতীয় গান গাইতে বলেছিলেন। ...চাইছিলেন আমি শুধু গাইব না। ওদের কাছে গিয়ে নাচব এবং ওদের নাচাব।

’’  

 

মেখলা এদিন বলেন, ‘‘গত কয়েকটি জলসায় আমি লক্ষ করছি, ঠিক ওই গানগুলিই আমাকে গাইতে বলেছেন মত্ত দর্শকেরা। ওই গানগুলি যেন আমার পরিচয় হয়ে গিয়েছে। ’’ সেদিনের ঘটনা সম্পর্কে লিখিত কোনও অভিযোগ করতে চান না মেখলা। তাঁর কথায়, ‘‘আমি আর কিছু করতে চাইছি না। দুঃস্বপ্ন মনে করে সেদিনের ঘটনা ভুলতে চাই। আমি গান গাইতে চাই। পেশায় মন দিতে চাই। ’’

 

পুলিশের বক্তব্য, লিখিত অভিযোগ না করলে ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত সম্ভব নয়। তবে ঘটনা নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করছেন অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া বলেন, ‘‘উনি লিখিত অভিযোগ করতে চাইলে আমরা স্বাগত জানাব। বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণ হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’’ তবে বিভাগীয় তদন্তের রিপোর্ট এখনও তিনি হাতে পাননি বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।

 


Top