ঘরের সিলিং-এ অদ্ভুত আওয়াজ, কে বাস করে সেখানে | daily-sun.com

ঘরের সিলিং-এ অদ্ভুত আওয়াজ, কে বাস করে সেখানে

ডেইলি সান অনলাইন     ৮ নভেম্বর, ২০১৮ ১৯:৫৬ টাprinter

ঘরের সিলিং-এ অদ্ভুত আওয়াজ, কে বাস করে সেখানে

রাতের বেলা বাড়ি ফিরে আপনি হয়তো মনে করছেন একটি নিরাপদ ও আরামদায়ক জায়গায় ফিরে এলেন। কিন্তু নিজের ঘরই অনেকের কাছে হয়ে উঠছে বিভীষিকাময়।

 

যেমন সাউথ ক্যারোলিনার ট্রেসি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘শেয়ারেবলি’-তে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রেসি প্রতিদিন বাড়িতে এসেই অদ্ভুত আওয়াজ শুনতে পেতেন। কিন্তু সেই শব্দের উৎস খুঁজে পেতেন না। তাঁর পাঁচ বছরের সন্তানকে সেই আওয়াজের কথা বলতে, সে তার মাকে বলেছিল এ সব তাঁর মায়ের ভুল।

 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজে প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে ট্রেসি বলেন, ‘‘আমার ছেলে আমাকে বলে তুমি বুড়ি হয়ে যাচ্ছ। তাই এরকম আওয়াজ শুনছ। কিন্তু আমি দুমদাম শব্দ পেতাম রোজই। আমার মনে হল সেই শব্দ আসছে চিলেকোঠার বন্ধ ঘর থেকে। ’’

 

একদিন রাতে ট্রেসি কম্পিউটারে বসে ছিলেন।

তখন তিনি দেখেন শোয়ার ঘরের ছাদ থেকে নখ বেরিয়ে আসছে। রাত আড়াইটে নাগাদ তিনি তাঁর ভাইপোকে নিয়ে ব্যাপারটি খতিয়ে দেখতে যান।

 

চিলেকোঠার ঘরে গিয়ে তিনি অবাক হয়ে যান। চোখ ছানাবড়া হয়ে যাওয়ার জোগাড়। দেখেন একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষ দাঁড়িয়ে রয়েছে। সেই মানুষটি আর কেউ না, ট্রেসির বারো বছর আগের পুরনো প্রেমিক। সেই প্রাক্তন প্রেমিকই গোপনে তাঁর বাড়ির চিলেকোঠার হাওয়া বেরনোর পাইপের মধ্যে থাকতেন।

 

ট্রেসির দাবি, তাঁরা পুলিশে খবর দেওয়ার আগেই সেই লোকটি চুপচাপ পালিয়ে যায়। তাঁর ভাইপোর দাবি ট্রেসির শোয়ার ঘরের সিলিং-এ একটি ফাঁক দিয়ে লোকটি সব দেখতে পেত।

 

কীভাবে এই লোকটি ট্রেসির চিলেকোঠায় এসে ঘাঁটি গাড়ল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গেছে। তবে ট্রেসি একা নন। নিউ ইয়র্কের বাসিন্দা জই কামিংস বলে এক ব্যাক্তি গোপন ক্যামেরায় ধরেছিলেন তাঁর ঘরের সিলিং থেকে এক মহিলা কীভাবে নিয়মিত তাঁর ঘরে আসতেন।

 

গত বছর অ্যাম্বার ডন নামে এক মহিলাও একই রকমের অবস্থার মুখোমুখি হয়েছিলেন। প্রায় ছ’মাস ধরে এক অজানা ব্যক্তির সঙ্গে তিনি ছিলেন। তাঁর ঘরেও এরকম পায়ের আওয়াজ শোনা যেত নিয়মিত। তিনি বুঝতে পেরে পুলিশকে খবর দিয়েছিলেন।

 

কিন্তু পুলিশ আসার আগেই লোকটি পালিয়ে যায় বলে অ্যাম্বার দাবি করেছিলেন। তবে চিলেকোঠার ঘর থেকে বই, স্লিপিং ব্যাগ, খাবারদাবার খুঁজে পেয়েছিল পুলিশ।

 

 


Top