আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের ফের জামিন আবেদন | daily-sun.com

আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের ফের জামিন আবেদন

ডেইলি সান অনলাইন     ৬ নভেম্বর, ২০১৮ ১৭:১৭ টাprinter

আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের ফের জামিন আবেদন

 

হাইকোর্টের নতুন আরেকটি বেঞ্চে জামিন আবেদন করেছেন তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় কারাবন্দি আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় তার আইনজীবীরা এ আবেদন করেন।


এর আগে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করলে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ জামিনের শুনানির জন্য বিচারিক আদালতে পাঠিয়ে দেন। পরে গত ১১ সেপ্টেম্বর নিম্নআদালতে শহিদুল আলমের জামিন নামঞ্জুর করা হয়।


এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের জামিন আবেদন শুনতে বিব্রতবোধ করেন হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ।


গত ১২ আগস্ট তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের মামলায় শহিদুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।


প্রসঙ্গত, নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময় গত ৫ আগস্ট শহিদুল আলমকে বাসা থেকে নেওয়ার পর ‘উসকানিমূলক মিথ্যা’ প্রচারের অভিযোগে তথ্য-প্রযুক্তি আইনের মামলায় ৬ আগস্ট রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এ মামলায় গত ৬ আগস্ট সিএমএম আদালতে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়।


পরে গত ১৪ আগস্ট ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করা হলে ১১ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য দিন ধার্য রাখেন। শুনানির এ তারিখ এগিয়ে আনতে ১৯ আগস্ট আবেদন করা হলে তা গ্রহণ করেননি আদালত। পরে ২৬ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চাইলে ওই আদালত শুনানির জন্য তা গ্রহণ করেননি।

  


এ অবস্থায় গত ২৮ আগস্ট হাইকোর্টে তার জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। ২৯ আগস্ট আবেদনটি ৪ সেপ্টেম্বরের কার্যতালিকায় উঠে। ওই দিন শহিদুল আলমের জামিন শুনানিতে বিব্রতবোধ করেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি খোন্দকার দিলুরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ করেন। পরে ১০ সেপ্টেম্বর  প্রধান বিচারপতির নির্ধারিত বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ শহিদুল আলমের জামিন আবেদন ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিচারিক আদালতকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।   


হাইকোর্টের নির্দশানুসারে ১১ সেপ্টেম্বর শহিদুল আলমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েস। বর্তমানে তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।


শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে ডিবি (উত্তর) পরিদর্শক মেহেদী হাসান বাদী হয়ে রমনা থানায় দায়ের করা ওই মামলায় ‘কল্পনাপ্রসূত তথ্যের’ মাধ্যমে জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে ‘মিথ্যা প্রচার’ চালানো, উসকানিমূলক তথ্য উপস্থাপন, সরকারকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ ও অকার্যকর’ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ‘অবনতি ঘটিয়ে’ জনমনে ‘ভীতি ও সন্ত্রাস ছড়িয়ে’ দেয়ার ষড়যন্ত্র এবং তা বাস্তবায়নে ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ‘অপপ্রচারের’ অভিযোগ আনা হয়।

 


Top