ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ | daily-sun.com

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ

ডেইলি সান অনলাইন     ১২ অক্টোবর, ২০১৮ ১৬:০৩ টাprinter

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের অধীনে ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এই ভর্তি পরীক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ক্যাম্পাসের বাইরে মোট ৮১টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পরীক্ষা শুরুর প্রায় আধা ঘন্টা আগে হাতে লেখা ফাঁস হওয়া প্রশ্ন ও উত্তর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। পরীক্ষা শেষে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার প্রশ্নের সাথে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন হুবহু মিলে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।  


এর আগে গত বছরও ভর্তি পরীক্ষায় ‘ঘ’ইউনিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।

 
জানা গেছে, ফাঁস হওয়া হাতে লেখা প্রশ্নের বাংলায় ১৯টি, ইংরেজিতে ১৭টি, সাধারণ জ্ঞান ৩৬টি (বাংলাদেশ ১৬, আন্তর্জাতিক ২০) মোট ৭২টি প্রশ্ন হুবহু মিলে যায়। এর আগে সকাল ১০টা ২৮ মিনিটে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের কপিগুলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসেন কয়েকজন সাংবাদিক। সেটি বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী প্রক্টর সোহেল রানার কাছে জমা দেন তারা। পরীক্ষা শেষে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন হুবহু মিলে যায়।


এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর সোহেল রানা বলেন, পরীক্ষার আগে প্রশ্নগুলো বের হলে সেটি ফাঁস হওয়া বলা যেতে পারে। কিন্তু পরীক্ষা চলাকালে বের হলে সেটাকে প্রশ্ন ফাঁস বলা যাবে না।

আমার মনে হয় কেউ পরীক্ষার হল থেকে ছবি তুলে বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছে। এ চক্রকে আমরা ধরার চেষ্টা করছি। আর এটি হয়তো নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না ক্যাম্পাসের বাইরে কেন্দ্র বেশি হওয়ায়। এ সমস্যাগুলো ক্যাম্পাসের বাইরের কেন্দ্রগুলোতে হয়ে থাকে।


এদিকে পরীক্ষা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ভর্তি কর্তৃপক্ষের কাছে পরীক্ষা চলাকালে কেউ অভিযোগ করেনি। তবে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব।


এর আগে গতবছর ২০১৭-২০১৮ সালে ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি জালিয়াতির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে তদন্ত কমিটি গঠন হয়। সেই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ১ বছর পার হলেও প্রকাশ করা হয়নি কেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, প্রশ্ন ফাঁস হয়নি।  


প্রক্টর দাবি করেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি, তবে ডিভাইস জালিয়াতি হতে পারে বলে তিনি মনে করেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেটি খতিয়ে দেখবে বলেও জানান তিনি।

 


Top