২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামি যারা | daily-sun.com

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামি যারা

ডেইলি সান অনলাইন     ১০ অক্টোবর, ২০১৮ ১১:৫৩ টাprinter

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামি যারা

 

বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনার মামলায় এখন মোট আসামি ৪৯ জন। এর মধ্যে একই ঘটনায় ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনে (সংশোধনী-২০০২) অপর একটি মামলায় ৩৮ জন আসামি।

খবর: বাসস


হত্যা, হত্যা চেষ্টা, ষড়যন্ত্র, ঘটনায় সহায়তাসহ বিভিন্ন অভিযোগে আনা মামলায় আসামিরা হলেন-


১) মুফতি আবদুল হান্নান ওরফে আবুল কালাম ওরফে আব্দুল মান্নান (অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর) ২) মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে অভি ৩) শরিফ শাহেদুল আলম বিপুল (অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর) ৪) মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর ৫) আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল ৬) মো. জাহাঙ্গীর আলম ৭) হাফেজ মাওলানা আবু তাহের ৮) শাহাদাত উল্লাহ ওরফে জুয়েল ৯) হোসাইন আহম্মেদ তামিম ১০) আব্দুস সালাম পিন্টু ১১) মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ ১২) আরিফ হাসান ওরফে সুমন ওরফে আবদুর রাজ্জাক ১৩) রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ ১৪) মো. উজ্জল ওরফে রতন ১৫) হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া ১৬) মো. লুৎফুজ্জামান বাবর ১৭) মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী ১৮) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুর রহিম ১৯) আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ (অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর) ২০) মাওলানা শেখ আব্দুস সালাম ২১) মো. আব্দুল মাজেদ ভাট ২২) আব্দুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ ২৩) মাওলানা আব্দুর রউফ ওরফে পীর সাহেব ২৪) মাওলানা সাব্বির আহমেদ ওরফে আব্দুল হান্নান সাব্বির ২৫) মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ ২৬) অবসরপ্রাপ্ত আইজিপি মো. আশরাফুল হুদা ২৭) অবসরপ্রাপ্ত আইজিপি শহুদুল হক ২৮) অবসরপ্রাপ্ত আইজিপি খোদা বক্স চৌধুরী ২৯) রুহুল আমীন, বিশেষ পুলিশ সুপার (অব.) ৩০) আব্দুর রশিদ অবসরপ্রাপ্ত এএসপি ৩১) মুন্সী আতিকুর রহমান অবসরপ্রাপ্ত এএসপি ৩২) লে. কমান্ডার সাইফুল ইসলাম ডিউক ৩৩) মাওলানা মো. তাজউদ্দিন ৩৪) মহিবুল মুত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন ৩৫) আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন ৩৬) মো. খলিল ৩৭) জাহাঙ্গির আলম বদর ৩৮) মো. ইকবাল ৩৯) আবু বক্কর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার ৪০) লিটন ওরফে মাওলানা লিটন ৪১) তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়া ৪২) হারিছ চৌধুরী ৪৩) কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ৪৪) হানিফ পরিবহনের মালিক হানিফ ৪৫) লে. কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার ৪৬) মেজর জেনারেল এটিএম আমিন (এলপি আর) ৪৭) মুফতি শফিকুর রহমান ৪৮) মুফতি আব্দুল হাই ৪৯) রাতুল আহাম্মদ বাবু ওরফে রাতুল বাবু ৫০) ডিআইজি খান সাঈদ হাসান ৫১) পুলিশ সুপার ওবায়দুর রহমান খান ৫২) আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ কমিশনার।


আসামিদের মধ্যে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড ইতোপূর্বে অন্য মামলায় কার্যকর হয়েছে। তারা হলেন- মুফতি আবদুল হান্নান ওরফে আবুল কালাম ওরফে আব্দুল মান্নান, শরিফ শাহেদুল আলম বিপুল ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ। এখন আসামি সংখ্যা ৪৯ জন।

 

গ্রেনেড হামলার ঘটনায় ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনে (সংশোধনী-২০০২) অপর একটি মামলায় ৩৮ আসামি হলেন- 

 

১) মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে অভি ২) মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর ৩) আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল ৪) মো. জাহাঙ্গীর আলম ৫) হাফেজ মাওলানা আবু তাহের ৬) শাহাদাত উল্লাহ ওরফে জুয়েল ৭) হোসাইন আহম্মেদ তামিম ৮) আব্দুস সালাম পিন্টু ৯) মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ ১০) আরিফ হাসান ওরফে সুমন ওরফে আবদুর রাজ্জাক ১১) রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ ১২) মো. উজ্জল ওরফে রতন ১৩) হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া ১৪) মো. লুৎফুজ্জামান বাবর ১৫) মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী ১৬) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুর রহিম ১৭) মাওলানা শেখ আব্দুস সালাম ১৮) মো. আব্দুল মাজেদ ভাট ১৯) আব্দুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ ২০) মাওলানা আব্দুর রউফ ওরফে পীর সাহেব ২১) মাওলানা সাব্বির আহমেদ ওরফে আব্দুল হান্নান সাব্বির ২২) মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ ২৩) মাওলানা মো. তাজউদ্দিন ২৪) মহিবুল মুত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন ২৫) আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন ২৬) মো. খলিল ২৭) জাহাঙ্গির আলম বদর ২৮) মো. ইকবাল ২৯) আবু বক্কর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার ৩০) লিটন ওরফে মাওলানা লিটন ৩১) তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়া ৩২) হারিছ চৌধুরী ৩৩) কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ৩৪) হানিফ পরিবহনের মালিক হানিফ ৩৫) মুফতি শফিকুর রহমান ৩৬) মুফতি আব্দুল হাই ৩৭) রাতুল আহাম্মদ বাবু ওরফে রাতুল বাবু ৩৮) আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ কমিশনার।


আসামিদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত আইজিপি মো. আশরাফুল হুদা, অবসরপ্রাপ্ত আইজিপি শহুদুল হক, অবসরপ্রাপ্ত আইজিপি খোদা বক্স চৌধুরী, রুহুল আমীন, বিশেষ পুলিশ সুপার (অব.) আব্দুর রশিদ, অবসরপ্রাপ্ত এএসপি মুন্সী আতিকুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত এএসপি লে. কমান্ডার সাইফুল ইসলাম ডিউক, লে. কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার, মেজর জেনারেল এটিএম আমিন (এলপি আর), ডিআইজি খান সাঈদ হাসান ও পুলিশ সুপার ওবায়দুর রহমান খানসহ এ ১১ জনের বিরুদ্ধে ২১ আগস্টের একই ঘটনায় ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনে (সংশোধনী-২০০২) অভিযোগ আনা হয়নি। আসামিদের মধ্যে ৩৮ জন উভয় মামলায়ই আসামি। মোট আসামিদের মধ্যে ৩১ জন কারাগারে ১৮ জন পলাতক।


আসামিদের মধ্যে ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনার অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে তারা হলেন- তারেক রহমান, লুৎফুজ্জুমান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু, হারিছ চৌধুরী, কায়োকোবাদ, রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, আবদুর রহিম, হানিফ, আরিফ কমিশনার।

 

হত্যা, হত্যা চেষ্টা, ষড়যন্ত্র ও ফৌজদারী দায় অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে তারা হলেন-

 

মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে অভি, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, শাহাদাত উল্লাহ ওরফে জুয়েল, হোসাইন আহম্মেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ, আরিফ হাসান ওরফে সুমন ওরফে আবদুর রাজ্জাক, রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ, মো. উজ্জল ওরফে রতন, হাফেজ মাওলানা, মাওলানা শেখ আব্দুস সালাম, মো. আব্দুল মাজেদ ভাট, আব্দুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ, মাওলানা আব্দুর রউফ ওরফে পীর সাহেব, মাওলানা সাব্বির আহমেদ ওরফে আব্দুল হান্নান সাব্বির, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মাওলানা মো. তাজউদ্দিন, মহিবুল মুত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন, আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন, মো. খলিল, জাহাঙ্গির আলম বদর, মো. ইকবাল, আবু বক্কর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, লিটন ওরফে মাওলানা লিটন, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আব্দুল হাই ও রাতুল আহাম্মদ বাবু ওরফে রাতুল বাবু।


সাক্ষ্য ও আলামত নষ্টের বিরুদ্ধে অভিযুক্তরা হলেন- সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান খান ও খান সাঈদ হাসান।


হত্যাকারীদের প্রশাসনিক সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে সাবেক আইজিপি আশরাফুল হুদা ও শহুদুল হকের বিরুদ্ধে।


গ্রেনেড সরবরাহকারীকে পালাতে যারা সহায়তা করছেন তারা হলেন- লে. কমান্ডার সাইফুল ইসলাম ডিউক. লে. কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার ও মেজর জেনারেল এটিএম আমিন (এলপি আর)।


এছাড়াও মামলা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত ও জজ মিয়া নাটক সাজানোর অভিযোগ সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর রশিদ, সহকারী পুলিশ সুপার মুন্সী আতিকুর রহমান, বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন ও সাবেক আইজিপি খোদা বকস্ চৌধুরীর বিরুদ্ধে।


প্রসঙ্গত, রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মতিঝিল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা দুই মামলার রায় আজ বুধবার (১০ অক্টোবর) ঘোষণা করা হবে। রাষ্ট্রপক্ষ মামলার সব আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা খালাসের দাবি জানিয়েছেন।


১৮ সেপ্টেম্বর পুরান ঢাকায় ১নং অস্থায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১০ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।


একইসঙ্গে এই মামলায় জামিনে থাকা ৮ আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এই ৮ আসামির মধ্যে সাবেক দুই আইজিপি আশরাফুল হুদা এবং শহুদুল হকও রয়েছেন।


আলোচিত এ মামলায় ৫১১ সাক্ষীর মধ্যে ২২৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ গ্রহণ করা হয়েছে। আরও ২০ জনের সাফাই সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।


মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ১৪ বছর আগে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশ চলাকালে ওই হামলায় দলের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভী রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। হামলায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। শেখ হাসিনার কান মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


ঘটনার পরদিন ২২ আগস্ট মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহমেদ বাদি হয়ে একটি মামলা (নং-৯৭) দায়ের করেন। মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে থানা পুলিশ। পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরবর্তীতে মামলাটি যায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি)।


২০০৮ সালের ৯ জুন হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানসহ ২২ জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে সিএমএম আদালতে দুটি অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন সিআইডির সিনিয়র এএসপি ফজলুল কবির। ওই বছরই মামলা দুটির কার্যক্রম দ্রুত বিচার আদালত-১ এ স্থানাস্তর করা হয়। এ আদালতে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনের ২৯/১১ (হত্যা),ও ৩০/১১ (বিস্ফোরক) মামলা দুটির বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।


৬১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের পর ২০০৯ সালের ২৫ জুন এ মামলার অধিকতর তদন্তের আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। ওই বছরের ৩ আগস্ট আদালত অধিকতর তদন্তের আবেদন মঞ্জুর করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডির পুলিশ সুপার আবদুল কাহ্হার আকন্দ।


তিনি ২০১১ সালের ৩ জুলাই বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ও আবদুস সালাম পিন্টুসহ ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ৫২ জনের নামে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি অভিযোগপত্র দেন। এদের মধ্যে জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নান ও জেএমবি সদস্য শহিদুল আলম বিপুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় মামলা থেকে তাদের নাম বাদ দেয়া হয়। ফলে এ মামলায় এখন আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ জন।     

 
এদের মধ্যে তারেক রহমানসহ ১৮ জন পলাতক রয়েছেন। বাকি আমামিদের মধ্যে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, সামরিক গোয়েন্দা অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক রেজ্জাকুল হায়দার, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক মহাপরিচালক আবদুর রহিম, সাবেক তিন আইজিপি ও পকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিন নেতা আব্দুল মাজেদসহ ২৩ জন কারাগারে ও ৮ জন জামিনে ছিলেন। রায়ে জামিনে থাকা ওই ৮ জনের জামিন বাতিল করা হয়েছে।


যে ৮ আসামির জামিন বাতিল করা হয়েছে: রায়ের দিন ধার্যের সঙ্গে বিচারক এদিন জামিনে থাকা ৮ আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তারা হলেন, খালেদা জিয়ার ভাগ্নে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক, ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলাম আরিফ, সাবেক তিন আইজিপি আশরাফুল হুদা, শহুদুল হক ও খোদা বক্স চৌধুরী, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (অব.) রুহুল আমিন, এএসপি (অব.) আবদুর রশিদ ও এএসপি (অব.) মুন্সি আতিকুর রহমান।


এ মামলার পলাতক ১৮ আসামিরা কে কোথায়? পলাতক আসামিদের মধ্যে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখন লন্ডনে অবস্থান করছেন। এছাড়া, মাওলানা তাজউদ্দিন আহমেদ ও তার ছোট ভাই রাতুল বাবু দক্ষিণ আফ্রিকায় রয়েছেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।


সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি আরবে আছেন এবং হারিস চৌধুরী বিভিন্ন সময় যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থান করেছেন বলে জানা গেছে। তবে বর্তমানে তিনি কোথায় আছেন সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো তথ্য নেই বাংলাদেশের কাছে।


পলাতকদের মধ্যে সাবেক মেজর জেনারেল এটিএম আমিন এবং সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার এখন দুবাইয়ে অবস্থান করছেন। এছাড়া মোহিবুল মুস্তাকিন ও তার ভাই আনিসুল মুরসালিন বর্তমানে ভারতে তিহার জেলে রয়েছেন।


জঙ্গি নেতা শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই, মাওলানা আবু বকর, ইকবাল, খলিলুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে বদর, মাওলানা লিটন ওরফে রেজাবাইর ওরফে দেলোয়ার, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সে সময়ের উপ-কমিশনার (পূর্ব) এবং উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) ওবায়দুর রহমান এবং খান সাঈদ হাসানও বিদেশে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সূত্র।

 


Top