২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে যা বলেছিলেন মুফতি হান্নান | daily-sun.com

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে যা বলেছিলেন মুফতি হান্নান

ডেইলি সান অনলাইন     ১০ অক্টোবর, ২০১৮ ১১:৪৬ টাprinter

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে যা বলেছিলেন মুফতি হান্নান

 

হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামীর (হুজি) প্রধান ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার অন্যতম হোতা মুফতি হান্নান তার জবানবন্দিতে জানান, বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়াম্যান ও পলাতক তারেক রহমানের পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা নিয়ে তারা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালান। জবানবন্দিতে মুফতি হান্নান বলেন, ‘তারেক জিয়া আমাদের সব ধরনের সহযোগিতার নিশ্চয়তা দেয়।

’ খবর: বাসস


সাবেক বৃটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীকে সিলেটে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টা মামলায় সর্বোচ্চ আদালত মুফতি হান্নানের মৃত্যুদণ্ড দেয় এবং পরে তা কার্যকর হয়।


ইতিহাসের জঘন্যতম, বর্বরোচিত ও নৃশংস ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হামলায় ১৩ আসামি ১৪টি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এর মধ্যে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি নেতা হাফেজ মাওলানা মুফতি হান্নান দুটি জবানবন্দি দেয়।


মুফতি হান্নান জবানবন্দিতে যা বলেন-


‘২০০১ সালের অক্টোবরে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পরাজিত হলে, বিএনপি জামায়াতের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে সরকার গঠন করে। তখন বিএনপির সাথে আমাদের সাথে সংগঠনের স্বার্থে সম্পর্ক আরো জোরদার করার লক্ষ্যে হরকতের আমীর মাওলানা আবদুস সালাম, শেখ ফরিদ, মাওলানা ইয়াহিয়া, আবু বক্কর, জাহাঙ্গীর বদর একত্রে চট্টগ্রামের বিএনপির এমপি সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও কুমিল্লার মুরাদনগরের এমপি কায়কোবাদের সাথে যোগাযোগ করে। তারা আমাদের আমীর মাওলানা আবদুস সালামসহ তাদের সঙ্গে দেখা করে। ১৯৯৬ সালের যে ৪১ জন ধানখালীতে গ্রেফতার ছিল তাদেরকে হাইকোর্ট থেকে জামিনের ব্যবস্থা করে দেয়। এই ভাবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত থাকে এবং আমরা তাদের সহায়তাও পেয়ে আসতে থাকি। ২০০৩ সালের শেষের দিকে আমাদের আমীর মাওলানা আবদুস সালাম, শেখ ফরিদ, মাওলানা তাজউদ্দিন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের সাথে যোগাযোগ করে।

যোগাযোগের মাধ্যমে তারা বাবর সাহেবের বেলী রোডের সরকারি বাসায় যায়। সেখানে উপস্থিত জিকে গাউস, আরিফুল ইসলাম আরিফ (কমিশনার), ইয়াহিয়া (মাওলানা), আবু বক্কর, ওরফে আবদুল করিম (মৌলভীবাজার ও বড়লেখা) উপস্থিত ছিল। এ সময় আমিও উপস্থিত ছিলাম। সেখানে আমীর সাহেবের সাথে কথা বলে এবং জিকে গাউস এবং আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফকে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (এখন) এদেরকে সিলেটের কাজের ব্যাপারে বলে এবং স্থানীয়ভাবে কাজের জন্য হুকুম দেয়। সেখানে স্থানীয় বিএনপি ও হরকতের লোক দ্বারা বিভিন্ন জায়গায় গ্রেনেডের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটায়। পরে ২০০৪ সালের প্রথম দিকে হরকাতুল জেহাদের একটি মিটিং হয় সেখানে উপস্থিত ছিল আমাদের আমীর মাওলানা আবদুস সালাম, মাওলানা শেখ ফরিদ, হাফেজ জাহাঙ্গীর বদর (জান্দাল) ঐ মিটিং হয় মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডস্থ দারুল আরকান মাদ্রাসা (হরকতের অফিস)-এর দোতলায়। ঐ মিটিং-এ আবু বক্কর ও ইয়াহিয়াও উপস্থিত ছিল। এরা মিটিং করে কিভাবে তারেক জিয়া ও বাবরের সঙ্গে কি কথা বলা যায়। আমরা পরে মোহাম্মদপুর সাত মসজিদে মাওলানা আবদুস সালাম, মাওলানা আবদুর রউফ, মাওলানা তাজউদ্দিন, কাশ্মিরী নাগরিক আবদুল মাজেদ বাটসহ একত্রে পরামর্শ করে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের হত্যার পরিকল্পনা করি। মাওলানা তাজউদ্দিন গ্রেনেড সরবরাহ করার দায়িত্ব নেয়। তাজভাই উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু ও প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর আমাদের সাহায্য করবে মর্মে জানায় এবং তারেক জিয়ার সাথে যোগাযোগের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর একদিন (তারিখ ও সময় মনে পড়ছে না) মুরাদনগরের এমপি কায়কোবাদ সাহেব আমাদেরকে হাওয়া ভবনে নিয়ে গিয়ে তারেক জিয়া ও হারিছ চৌধুরী সাহেবদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় আমরা আমাদের কাজ কর্মের জন্য তাদের সাহায্য ও সহযোগিতা চাইলে তারেক জিয়া আমাদের সর্ব প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস দেয়। এরপর আমরা শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতাদের হত্যার জন্য মোহাম্মদপুরসহ আরো কয়েক জায়গায় গোপন মিটিং করি।


আমরা ২০০৪ সালের আগস্ট মাসে সিলেটে গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে ঢাকার মুক্তাঙ্গনে আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সভার সংবাদ জানতে পারি। সেখানে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের উপর আক্রমণের সিদ্ধান্ত নেই। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য পুনরায় তারেক জিয়ার সাথে সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত হয়। আমি, মাওলানা আবু তাহের, শেখ ফরিদ, মাওলানা তাজউদ্দিন আল মারফাজুলের গাড়িতে করে মাওলানা রশিদসহ হাওয়া ভবনে যাই। সেখানে হারিছ চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর, জামায়াতে ইসলামের মুজাহিদ ব্রিগেডিয়ার রেজ্জাকুল হায়দার, ব্রিগেডিয়ার আবদুর রহিমকেও উপস্থিত পাইছি, কিছুক্ষণ পর তারেক জিয়া আসেন। আমরা তাদের কাছে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের উপর হামলা করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তাদের সহায়তা চাই। তখন তারা আমাদের সকল প্রকার প্রশাসনের সহায়তার আশ্বাস দেয়।


তারেক সাহেব বলেন যে, আপনাদের এখানে আর আসার দরকার নাই, আপনারা বাবর সাহেব ও আবদুস সালাম পিন্টুর সাথে যোগাযোগ করে কাজ করবেন, তারা আপনাদের সকল প্রকার সহায়তা করবে।


১৮ আগস্ট আমি, আহসান উল্লাহ কাজল, মাওলানা আবু তাহের আবদুস সালাম পিন্টুর ধানমন্ডির সরকারি বাসায় যাই। সেখানে আবদুস সালাম পিন্টু, বাবর, মাওলানা তাজউদ্দিন কমিশনার আরিফ ও হানিফ পরিবহনের হানিফ উপস্থিত ছিল। আবদুস সালাম পিন্টু ও লুৎফুজ্জামান বাবর বলে যে, কমিশনার আরিফ ও হানিফ সাহেব আপনাদের সকল প্রকার সাহায্য সহযোগিতা করবে এবং আমাদের সকল প্রকার নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে। সে মোতাবেক ২০ আগস্ট মুফতি মঈন ওরফে আবু জান্দাল ওয়া ও আহসান উল্লাহ কাজল আবদুস সালাম পিন্টুর বাসা থেকে ১৫টি গ্রেনেড ২০ হাজার টাকা গ্রহণ করে বাড্ডার বাসায় নিয়ে আসে। ২১ তারিখ আগস্ট মাস, ২০০৪ ইং আমরা আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে গ্রেনেড হামলা চালাই। ’


প্রসঙ্গত, রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মতিঝিল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা দুই মামলার রায় আজ বুধবার (১০ অক্টোবর) ঘোষণা করা হবে। রাষ্ট্রপক্ষ মামলার সব আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা খালাসের দাবি জানিয়েছেন।


১৮ সেপ্টেম্বর পুরান ঢাকায় ১নং অস্থায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১০ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।


একইসঙ্গে এই মামলায় জামিনে থাকা ৮ আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এই ৮ আসামির মধ্যে সাবেক দুই আইজিপি আশরাফুল হুদা এবং শহুদুল হকও রয়েছেন।


আলোচিত এ মামলায় ৫১১ সাক্ষীর মধ্যে ২২৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ গ্রহণ করা হয়েছে। আরও ২০ জনের সাফাই সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।


মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ১৪ বছর আগে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশ চলাকালে ওই হামলায় দলের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভী রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। হামলায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। শেখ হাসিনার কান মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


ঘটনার পরদিন ২২ আগস্ট মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহমেদ বাদি হয়ে একটি মামলা (নং-৯৭) দায়ের করেন। মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে থানা পুলিশ। পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরবর্তীতে মামলাটি যায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি)।


২০০৮ সালের ৯ জুন হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানসহ ২২ জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে সিএমএম আদালতে দুটি অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন সিআইডির সিনিয়র এএসপি ফজলুল কবির। ওই বছরই মামলা দুটির কার্যক্রম দ্রুত বিচার আদালত-১ এ স্থানাস্তর করা হয়। এ আদালতে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনের ২৯/১১ (হত্যা),ও ৩০/১১ (বিস্ফোরক) মামলা দুটির বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।


৬১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের পর ২০০৯ সালের ২৫ জুন এ মামলার অধিকতর তদন্তের আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। ওই বছরের ৩ আগস্ট আদালত অধিকতর তদন্তের আবেদন মঞ্জুর করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডির পুলিশ সুপার আবদুল কাহ্হার আকন্দ।


তিনি ২০১১ সালের ৩ জুলাই বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ও আবদুস সালাম পিন্টুসহ ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ৫২ জনের নামে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি অভিযোগপত্র দেন। এদের মধ্যে জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নান ও জেএমবি সদস্য শহিদুল আলম বিপুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় মামলা থেকে তাদের নাম বাদ দেয়া হয়। ফলে এ মামলায় এখন আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ জন।     

 
এদের মধ্যে তারেক রহমানসহ ১৮ জন পলাতক রয়েছেন। বাকি আমামিদের মধ্যে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, সামরিক গোয়েন্দা অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক রেজ্জাকুল হায়দার, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক মহাপরিচালক আবদুর রহিম, সাবেক তিন আইজিপি ও পকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিন নেতা আব্দুল মাজেদসহ ২৩ জন কারাগারে ও ৮ জন জামিনে ছিলেন। রায়ে জামিনে থাকা ওই ৮ জনের জামিন বাতিল করা হয়েছে।


যে ৮ আসামির জামিন বাতিল করা হয়েছে: রায়ের দিন ধার্যের সঙ্গে বিচারক এদিন জামিনে থাকা ৮ আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তারা হলেন, খালেদা জিয়ার ভাগ্নে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক, ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলাম আরিফ, সাবেক তিন আইজিপি আশরাফুল হুদা, শহুদুল হক ও খোদা বক্স চৌধুরী, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (অব.) রুহুল আমিন, এএসপি (অব.) আবদুর রশিদ ও এএসপি (অব.) মুন্সি আতিকুর রহমান।


এ মামলার পলাতক ১৮ আসামিরা কে কোথায়? পলাতক আসামিদের মধ্যে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখন লন্ডনে অবস্থান করছেন। এছাড়া, মাওলানা তাজউদ্দিন আহমেদ ও তার ছোট ভাই রাতুল বাবু দক্ষিণ আফ্রিকায় রয়েছেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।


সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সৌদি আরবে আছেন এবং হারিস চৌধুরী বিভিন্ন সময় যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থান করেছেন বলে জানা গেছে। তবে বর্তমানে তিনি কোথায় আছেন সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো তথ্য নেই বাংলাদেশের কাছে।


পলাতকদের মধ্যে সাবেক মেজর জেনারেল এটিএম আমিন এবং সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার এখন দুবাইয়ে অবস্থান করছেন। এছাড়া মোহিবুল মুস্তাকিন ও তার ভাই আনিসুল মুরসালিন বর্তমানে ভারতে তিহার জেলে রয়েছেন।


জঙ্গি নেতা শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই, মাওলানা আবু বকর, ইকবাল, খলিলুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে বদর, মাওলানা লিটন ওরফে রেজাবাইর ওরফে দেলোয়ার, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সে সময়ের উপ-কমিশনার (পূর্ব) এবং উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) ওবায়দুর রহমান এবং খান সাঈদ হাসানও বিদেশে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সূত্র।

 


Top