উন্নয়ন অভিলক্ষ্য ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান রাখার আহবান | daily-sun.com

উন্নয়ন অভিলক্ষ্য ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান রাখার আহবান

ডেইলি সান অনলাইন     ৮ অক্টোবর, ২০১৮ ১৩:২৭ টাprinter

উন্নয়ন অভিলক্ষ্য ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান রাখার আহবান

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের উন্নয়ন অভিলক্ষ্য ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে সবাইকে বিশেষ করে সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাংলাদেশীদের অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, গত এক দশকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বিভিন্ন উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ অর্ভতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে।

আগামীতে এ ধারা অব্যাহত রাখতে হলে সবাইকে বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এগিয়ে আসতে হবে।


রবিবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ হাই কমিশন, সিঙ্গাপুরের উদ্যোগে আয়োজিত ”বাংলাদেশ উন্নয়ন মেলা ২০১৮” শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন মোস্তাফিজুর রহমান। দেশে-বিদেশে চলমান উন্নয়ন মেলার সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশ হাই কমিশন, সিঙ্গাপুরের উদ্যোগে এ উন্নয়ন মেলা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

 

সেমিনারে বিষয়ের ওপর মূল প্রবন্ধে মোস্তাফিজুর রহমান বর্তমান সরকার গৃহীত বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী প্রকল্প, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্প গ্রহণ, বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ সহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিতে সরকারের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের চিত্র তুলে ধরেন।

 


পরে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এর উপর একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।  


অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্বে ছিল প্রবাসী বাংলাদেশী শ্রমিকদের পরিকল্পনা, পরিচালনা ও পরিবেশনায় সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে তারা কবিতা আবৃত্তি, গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন। এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশী শ্রমিকদের সংগঠন ”সিঙ্গাপুর বাংলা সাহিত্য পরিষদ” মেলার একটি স্টলে বাংলাদেশী খ্যাতনামা কবি-লেখকদের বই প্রদর্শন করা হয়।  


মেলা উপলক্ষ্যে হাই কমিশন প্রাঙ্গণ বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন কর্মকান্ডের পোস্টার দ্বারা সজ্জিত করা হয়।

সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের বিবরণী সম্বলিত লিফলেট অতিথি-দর্শনার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। দূতাবাস প্রাঙ্গণে স্থাপিত বিভিন্ন স্টলে বাংলাদেশী হস্তশিল্প, কারুপণ্য, রপ্তানী পণ্য, দেশীয় খাবার, বাংলা বই, পর্যটন সংক্রান্ত পোস্টার প্রদর্শন করা হয়। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী এবং বিদেশী অতিথির উপস্থিতিতে মেলা প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে। উপস্থিত সকলেই হাই কমিশনের এ ধরণের ব্যতিক্রমী উদ্যোগের প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথি-দর্শনার্থীদেরকে বাংলাদেশী খাবার সহযোগে আপ্যায়ন করা হয়।

 

 

 

 

 

 

 

 


Top