নির্বাচনের আগে গ্রেনেড হামলা মামলার রায় নীল নকশারই অংশ: রিজভী | daily-sun.com

নির্বাচনের আগে গ্রেনেড হামলা মামলার রায় নীল নকশারই অংশ: রিজভী

ডেইলি সান অনলাইন     ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৮:২৭ টাprinter

নির্বাচনের আগে গ্রেনেড হামলা মামলার রায় নীল নকশারই অংশ: রিজভী

- ফাইল ফটো

 

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, ১৪ বছর ঝুলন্ত রাখার পর আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা সুপরিকল্পিত নীল নকশারই অংশ। বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে নয়া পল্টনে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে রিজভী আহমেদ এ মন্তব্য করেন।


তিনি বলেন, রায় প্রকাশের আগেই সরকারের মন্ত্রী ও নেতারা বলছেন- এই রায় হওয়ার পর বিএনপি বিপাকে পড়বে। তার মানে সরকার জানে কী রায় হতে যাচ্ছে অথবা সরকারই ২১শে আগস্ট মামলার রায় লিখে দিচ্ছে। এই মামলায় ন্যায়বিচার সমুন্নত রাখা হবে কি না তা নিয়ে জনমনে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।


একই সঙ্গে তিনি বলেন, সুপরিকল্পিতভাবে দেশকে ধ্বংস করার সব ষড়যন্ত্র সম্পন্ন করেছে সরকার। বন্দুকের নলের মুখে দেশ ত্যাগ ও পদত্যাগে বাধ্য হওয়া প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা তার বইতে উল্লেখ করেছেন কীভাবে তাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। কীভাবে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করে বিচার বিভাগকে সরকার নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।


তিনি বলেন, এসকে সিনহার বক্তব্যে আরও পরিষ্কার হলো বন্দুকের নলের মুখে বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে নিয়েই সরকার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা সাজানো মামলায় রায় দিয়ে কারাবন্দি করে এক নম্বর মিশন কার্যকর করেছে। এরপর এখন দুই নম্বর মিশন কার্যকর করতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ২১ আগস্টের মামলায় আগামী ১০ অক্টোবর রায় দেওয়া হবে।


বিএনপির এই নেতা বলেন, এস কে সিনহা তার আত্মজীবনী বইয়ে পরিষ্কার উল্লেখ করেছেন, তিনি সরকারের চাপে ও হুমকির মুখে দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন।

তিনি তার ‘এ ব্রোকেন ড্রিম’ বইয়ে পরিষ্কার বলেছেন-বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার হুমকি ও ভীতি প্রর্দশনের মুখে তিনি দেশ ছেড়েছেন এবং তার পরিবারকে জিম্মি করে বিদেশে থাকাকালীন অবস্থায় তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। বিবিসির রিপোর্টসহ দেশের কিছু গণমাধ্যমে আজ তা প্রকাশ পেয়েছে। তাকে পদত্যাগে বাধ্য করে বিচার বিভাগকে সরকার নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।


সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, এ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

 


Top