জাতীয় ঐক্যের ঘোষণাপত্র প্রকাশ বিকেলে | daily-sun.com

জাতীয় ঐক্যের ঘোষণাপত্র প্রকাশ বিকেলে

ডেইলি সান অনলাইন     ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১২:১৬ টাprinter

জাতীয় ঐক্যের ঘোষণাপত্র প্রকাশ বিকেলে

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন এবং  যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ.কিউ.এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যের ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে। বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে এই ঘোষণাপত্র প্রকাশের মাধ্যমে আগামী নির্বাচনে এই জোটের অংশ গ্রহণ ও জোটে কারা থাকছে তা প্রকাশ করা হবে।

সেই সাথে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে জোটের দাবি গুলোও তুলে ধরা হবে।


যুক্তফ্রন্টের ঘোষণায় কী থাকবে তা নিয়ে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি শুক্রবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যমকে পাঠানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে একটি জনসমর্থনহীন, অনির্বাচিত সরকার দেশ শাসন করছে। সন্ত্রাস, গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা ও পুলিশ প্রশাসন ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে আছে। জনসমর্থন নিয়ে কেউ যাতে ক্ষমতায় না আসতে পারে সেজন্য তারা জনগণের অবাধ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অধিকারসহ গণতান্ত্রিক ও ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। আগামী নির্বাচনে যে কোনোভাবে জয়লাভের জন্য ইভিএম পদ্ধতি প্রবর্তন, ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ একের পর এক কূটকৌশল অবলম্বন করছে। সন্ত্রাস, গুম, খুন, বিচারবর্হিভূত হত্যা এবং নির্বিচারে জেল-জুলুম ও নির্যাতনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকারসহ, মৌলিক, মানবাধিকার ও সাংবিধানিক অধিকারসমূহ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সরকারি চাকরিতে ‘কোটা সংস্কার’ এবং ‘নিরাপদ সড়ক’-এর দাবিতে ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ ও সরকারি নামধারী ছাত্র সংগঠন অত্যন্ত ন্যাক্কারজনকভাবে দমনে লিপ্ত।


বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই, ভিন্নমতের কাউকে নির্বিঘ্নে সভা-সমাবেশ করতে দেওয়া হয় না।

রাষ্ট্রের আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগসহ সমগ্র রাষ্ট্র্র যন্ত্রকে এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক স্বেচ্ছাচারী নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারসমূহ হরণ করা হয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে দেশ, জাতি ও জনগণকে মুক্ত করে রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বত্র কার্যকর গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে-বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠনের কোনো বিকল্প নেই। '


এতে বলা হয়, 'প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সব স্বাধীনতাবিরোধী রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী রাজনৈতিক দল, সামাজিক শক্তি ও নাগরিক সমাজসহ জনগণকে সুসংগঠিত করে যুক্তফ্রন্ট-জাতীয় ঐক্য নিম্নবর্ণিত অভিন্ন দাবি আদায় এবং লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে শান্তিপূর্ণ ও অহিংস গণআন্দোলন গড়ে তোলার অঙ্গিকার ব্যক্ত করে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ার কার্যকর উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিচ্ছি। ' এরপর বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তফ্রন্টের সাত দফা দাবিগুলো তুলে ধরা হয়।

 


Top