১৫ জিজ্ঞাসায় জেনে নিন আপনার যোগাযোগের দক্ষতা কেমন? | daily-sun.com

১৫ জিজ্ঞাসায় জেনে নিন আপনার যোগাযোগের দক্ষতা কেমন?

ডেইলি সান অনলাইন     ৩১ আগস্ট, ২০১৬ ১৯:২৬ টাprinter

১৫ জিজ্ঞাসায় জেনে নিন আপনার যোগাযোগের দক্ষতা কেমন?

 

যোগাযোগ স্থাপনে সবার দক্ষতা একরকম নয়। কেউ কেউ অন্যদের সঙ্গে খুব ভালোভাবে সংযোগ স্থাপন করতে পারেন। আবার কেউ কেউ অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে সঠিকভাবে দক্ষ হতে পারেন না। এ লেখায় তুলে ধরা হলো ১৭টি প্রশ্ন, যার ভিত্তিতে আপনি বুঝতে পারবেন যোগাযোগ স্থাপনে আপনার দক্ষতা কতখানি। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।

 

১. আপনার কি কোনো বক্তব্য আছে? মানুষ সর্বদা তথ্যের জন্য মুখিয়ে থাকে। আপনি যদি কারো সঙ্গে সঠিকভাবে তথ্য বিনিময় করতে পারেন তাহলে তা যোগাযোগে দক্ষতাকে প্রকাশ করে। এক্ষেত্রে আপনার বক্তব্য অন্যের কাছে পরিষ্কার হলো কি না, তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

 

২. আপনার কী কোনো গল্প আছে? আপনার কথার মাধ্যমে একটি গল্প প্রকাশ পায় কী? আলাপচারিতা-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গল্প পাড়তে পারলে আপনি সেখানকার প্রিয় মানুষে পরিণত হবেন। সে গল্প কোনো মহান শিক্ষা দেবে শ্রোতাদের।

 

৩. আপনি কি পরিসংখ্যান ব্যবহার করেন? কথার মান আপনার বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ করে। তাই কিছু বলতে চাইলে সুনির্দিষ্ট করে তথ্য প্রকাশ করুন। এলোমেলো কথায় আপনার ওপর বিরক্তি আসবে। কিন্তু সঠিক তথ্যে মিলবে প্রশংসা।

 

৪. আপনি কি সঠিক কণ্ঠ ব্যবহার করেন? সঠিকভাবে কণ্ঠ ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যদি এমনভাবে কথা বলেন, যা অন্যরা শুনতেই পায় না তাহলে তা মোটেই আপনার যোগাযোগে দক্ষতাকে প্রকাশ করবে না।

 

৫. সঠিক ভাষা ব্যবহার করেন কী? কিছু প্রচলিত শব্দ রয়েছে, যা বহু কঠিন বিষয়কে অল্প কথায় প্রকাশ করে। এ ভাষাগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে কোন শব্দের কোথায় ব্যবহার করা উচিত এ বিষয়টিও জানা থাকতে হবে।

 

৬. আপনি কি গতানুগতিক? আপনার যে কোনো বিষয়ে গতানুগতিক ধারণা রয়েছে? নাকি আপনি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিনিয়ত এ ধারণাগুলো পরিবর্তন করেন? বিষয়টি আপনার বিষয়ে বহু প্রশ্নের জবাব দেবে, যা প্রভাব ফেলবে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগেও।

 

৭. আপনি কি বেশি কথা বলেন? শুধু নিজের কথা বলে গেলে তা দুজন মানুষের মাঝে সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়ক হয় না। এজন্য প্রয়োজন হয় অপর পক্ষের কথা শোনার মনোভাব। এক্ষেত্রে একজন বিশেষজ্ঞ বলেন, আপনার দুটি কান ও একটি মুখ রয়েছে। আর কথাও বলতে হবে সে অনুপাতে। অর্থাৎ বেশি শুনতে হবে, কম বলতে হবে।

 

৮. আপনি কি খুব কম কথা বলেন? কথা একেবারে কম বলাও সঠিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর। আর তাই কোন বিষয়ে কতখানি কথা বলা যাবে তাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

 

৯. আপনি কি গড়পড়তায় বিশ্বাসী? অনেকেই গড়পড়তা হিসাব করে বহু বিষয় চালিয়ে নেন। যদিও কথা বলার সময় আপনি যদি কোনো উত্থান-পতন না ঘটান তাহলে তা একঘেয়ে হয়ে যেতে পারে। একইভাবে যে কোনো বিষয়ে গড়পড়তা মতামতও কার্যকর হবে না।

 

১০. আপনি কি ভুল সংশোধন করেন? আপনার ভুলগুলো সংশোধন করে নেওয়া জরুরি। অন্যথায় আপনার সঙ্গে অন্যরা যোগাযোগে অস্বস্তিতে থাকতে পারে।

 

১১. আপনি কি মতামত জানতে চান? কারো সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে মতামত জেনে নেওয়ার গুরুত্ব রয়েছে। আপনি যদি অন্যের মতামত আহ্বান না করেন কিংবা মতামতকে গুরুত্ব না দেন তাহলে তা আপনার যোগাযোগের ক্ষেত্রে আনাড়িপনা প্রকাশ করবে।

 

১২. আপনি কি সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেন? কারো সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আপনি কি সরাসরি এগিয়ে যান? নাকি নানা ধরনের কৌশলের প্রয়োগ করেন? এ বিষয়ে সরাসরি এগিয়ে যাওয়াকেই মানুষ পছন্দ করে।

 

১৩. কোন মাধ্যম ব্যবহার করেন? যোগাযোগের ক্ষেত্রে মানুষের বহু উপায় রয়েছে। ইমেইল, ফোন, ফেসবুক কিংবা ব্লগ ইত্যাদির মধ্যে সরাসরি কিংবা ফোনই সবচেয়ে কার্যকর।

 

১৪. আপনি কি ভিন্ন ভিন্ন কণ্ঠে যোগাযোগ করেন? বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে একই কণ্ঠে যোগাযোগ করা সঠিক নয়। আপনার শিশুর সঙ্গে কিংবা আপনার বাবার সঙ্গে যে কণ্ঠে কথা বলবেন, তা নিশ্চয়ই আপনার প্রতিষ্ঠানের সিইওর সঙ্গে বলবেন না।

 

১৫. কার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন জেনে নেন কি? ইমেইলে কিংবা ফোনে আপনার সঙ্গে যিনি যোগাযোগ করছেন তার সম্পর্কে আপনি কি জেনে নিচ্ছেন? এ বিষয়টি অনেকেই নিশ্চিত হয়ে নেন না। যদিও বিষয়টি একজন দক্ষ যোগাযোগস্থাপনকারীর ক্ষেত্রে অত্যাবশ্যক। 

 

 


Top