'মুসলিম শক্তির উত্থান ঠেকানো যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রধান উদ্দেশ্য' | daily-sun.com

'মুসলিম শক্তির উত্থান ঠেকানো যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রধান উদ্দেশ্য'

ডেইলি সান অনলাইন     ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২০:৫৬ টাprinter

'মুসলিম শক্তির উত্থান ঠেকানো যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রধান উদ্দেশ্য'

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বরাবরই পাশ্চাত্যের সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর কঠোর সমালোচনাকারী। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি এবার আরও কঠোর বক্তব্য প্রদান করলেন।

 

নৌবাহিনীর ক্যাডেটদের স্নাতক ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি পশ্চিম এশিয়া তথা মধ্যপ্রাচ্যকে নিরাপত্তাহীন করে তোলার জন্য পাশ্চাত্যের নানা ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন।

 

তিনি বলেন, মার্কিন নেতৃত্বাধীন সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো মধ্যপ্রাচ্যে গৃহযুদ্ধ বাধানো, সন্ত্রাসবাদের বিস্তার ঘটানো এবং ব্যাপক নিরাপত্তাহীনতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করছে। আরো দুঃখজনক হচ্ছে এ অঞ্চলের কয়েকটি আরব দেশ তাদেরকে সহযোগিতা করছে। মধ্যপ্রাচ্যে মুসলিম শক্তির উত্থান ঠেকানো আমেরিকা ও দখলদার

 

ইসরায়েলের প্রধান উদ্দেশ্য উল্লেখ করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, শত্রুরা ভালো করেই জানে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হচ্ছে বঞ্চিত ও নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়ানো। এ কারণেই তারা মুসলিম শক্তির উত্থানে ভীত ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

 

তিনি বলেন, ইরান সরকার ও জনগণ স্পষ্ট ভাষায় এবং কোনো গোপনীয়তা বজায় না রেখে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর জুলুম নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। আর এটাই ইরানের বিরুদ্ধে জুলুমবাজ সরকারগুলোর শত্রুতার প্রধান কারণ।

 

যাহোক, ইরানের নৌবাহিনী বর্তমানে পারস্য উপসাগর, ওমান সাগরসহ আন্তর্জাতিক সমুদ্র সীমায় নিজেদের শক্তিশালী উপস্থিতি বজায় রেখেছে। যেখানেই নিরাপত্তা রক্ষার প্রয়োজন হবে সেখানেই ইরান তার উপস্থিতি বজায় রাখবে।

 

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি নৌবাহিনী দিবস উপলক্ষে এক বার্তায় বলেছেন, আইআরজিসি'র নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে সেনাবাহিনীর নৌ ইউনিট ইরানের পানিসীমাসহ আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত রয়েছে।


Top