যমজ শিশু? ৬ বিষয় জেনে রাখুন | daily-sun.com

যমজ শিশু? ৬ বিষয় জেনে রাখুন

ডেইলি সান অনলাইন     ৩১ আগস্ট, ২০১৬ ১৭:০৫ টাprinter

যমজ শিশু? ৬ বিষয় জেনে রাখুন

যমজ শিশু প্রতিপালন কোনো সহজ কথা নয়। বিশেষ করে তারা যদি একধরনের যমজ হয় তাহলে সমস্যার যেন শেষ নেই। এ সমস্যার কিছু রয়েছে বেশ মজার। কিছু সমস্যার আবার কোনো কুলকিনারা পাওয়া যায় না। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন কিছু সমস্যার কথা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হাফিংটন পোস্ট।


. কে বড়, কে ছোট?
যমজ শিশুদের মাঝেও ছোট-বড় থাকে। তাদের মাঝে যে আগে হয় সে বড় এবং অন্যজন ছোট হবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাদের জন্মের সময়ে ব্যবধান এত কম থাকে যে এ বিষয়টিতে প্রায়ই মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে তাদের মাঝে কে বড় আর কে ছোট এটি নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়ে।

. কে কোন খেলনা নেবে?
যমজ শিশুদের মাঝে একজন যদি ছেলে এবং অন্যজন যদি মেয়ে হয় তাহলে কে কোন খেলনা নেবে? এক্ষেত্রে একজন যমজ মেয়ে বলছিলেন, আমি ও আমার ভাই উভয়ের কেউই পুতুল নিতে চাইতাম না। তবে আমার ভাই সবার আগে খেলনার মধ্যে অস্ত্রজাতীয়গুলো আগে দখল করত। ফলে আমাকে বাধ্য হয়েই বাকিগুলোর মধ্যে বেছে নিতে হত।

. নাম বিভ্রাট
অনেকেই যমজ বাচ্চাদের একই ধরনের নাম রাখেন। আর এ কাজটির ফলে শিশুদের নাম শেখানো কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ তারা উভয়েই একই ধরনের নামে সাড়া দিতে চায়। আর এ বিষয়টি সহজ করা যাবে যদি তাদের নাম সম্পূর্ণ ভিন্নধরনের রাখা হয়।

. আলাদাভাবে প্রতিপালন
যমজ বাচ্চাদের একত্রে প্রতিপালনের ফলে তারা নানা সুবিধা-অসুবিধা ভোগ করে। যদিও তাদের ইচ্ছা করলে ভিন্নভাবে প্রতিপালন করা যায়। এক্ষেত্রে তাদের ভিন্নভাবে প্রতিপালন করার জন্য তাদের আলাদা ধরনের নাম, আলাদা পোশাক ও ভিন্ন ক্লাসরুমে রাখা যেতে পারে। এতে যতদিন কেউ জানাবে না যে, তোমরা যমজ ততদিন তারা ব্যাপারটা একটু ভিন্নই থাকবে। আর এতে উভয়ের ব্যক্তিত্ব ভিন্নভাবে গড়ে ওঠার সুযোগ পাবে।

. পাল্টাপাল্টি
বহু যমজ শিশু একেবারেই একরকম দেখতে হয়। এ ধরনের শিশুদের ক্ষেত্রে বাবা-মা ঠিকই চিনতে পারেন। কিন্তু অন্যরা চিনতে পারেন না। এ কারণে অনেকে স্কুলেও পাল্টাপাল্টি করে ক্লাস করে, যা অন্যরা ধরতে পারে না।

. বাবা-মায়ের ত্যাগ
যমজ বাচ্চা বড় করা মোটেও সহজ কাজ নয়। বাবা-মা তাদের বড় করতে গলদঘর্ম হয়ে যান। আর শিশুদের বড় করতে গিয়ে তাদের রাতের ঘুম যেমন নষ্ট হয় তেমন দিনেও প্রচণ্ড পরিশ্রম করতে হয়। কখনো আবার শিশুদের হাসি দেখে সব কষ্ট ভুলে যায় বাবা-মা।


Top