আরও ৪ শিক্ষার্থীর কারামুক্তি, দুই দিনে মুক্তি পেলেন ২২ জন | daily-sun.com

আরও ৪ শিক্ষার্থীর কারামুক্তি, দুই দিনে মুক্তি পেলেন ২২ জন

ডেইলি সান অনলাইন     ২০ আগস্ট, ২০১৮ ১৮:১৫ টাprinter

আরও ৪ শিক্ষার্থীর কারামুক্তি, দুই দিনে মুক্তি পেলেন ২২ জন

 

নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময় গ্রেফতার হওয়া আরও চার শিক্ষার্থী জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার (২০ আগস্ট) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাঁরা মুক্তি পান।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার জাহিদুল আলম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  


তিনি জানান, ওই চার শিক্ষার্থী হলেন ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রিসালাত ওরফে ফেরদৌস, আমিনুল হক, ইউল্যাবের ছাত্র বাঈজীদ আদনান ও এশিয়ান ইউনিভার্সিটির সাবের আহমেদ। এ নিয়ে সোমবার ১৩ জন শিক্ষার্থী জামিনে মুক্তি পেলেন।


এর আগে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে নয়জন শিক্ষার্থী কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। রবিবার নয় শিক্ষার্থীকে জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত সোমবার ও রবিবার মিলে মোট ২২ শিক্ষার্থী জামিন পেয়ে কারাগার থেকে বেরিয়ে এসেছেন। এই শিক্ষার্থীর স্বজনেরা কেন্দ্রীয় কারাগারে সামনে সকাল থেকে অপেক্ষায় ছিলেন।


ঢাকার থানা ও আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আন্দোলনের সময় সংঘাত, ভাঙচুর, উসকানি ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ এ পর্যন্ত ৫১টি মামলায় ৯৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। তাঁদের মধ্যে ৫২ জন শিক্ষার্থী।


২৯ জুলাই রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী বাসচাপায় নিহত হন। এরপর ওই বাসচালকের শাস্তি এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা।


এর আগে রবিবার ঢাকার একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মোট ৪২ শিক্ষার্থীর জামিন হয়। ৪ আগস্ট বিকেলে সায়েন্স ল্যাব, জিগাতলা ও ধানমন্ডিতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় গুজব রটানো হয় আওয়ামী লীগ অফিসে ৪ শিক্ষার্থীকে মারধর করে হত্যা, একজনের চোখ উপড়ানো এবং আরও চার ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ গুজব শুনে শিক্ষার্থীরা আওয়ামী লীগ অফিসের দিকে তেড়ে গেলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদে পরবর্তীতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্দোলন চলাকালে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। এসব ঘটনায় পুলিশের ও আওয়ামী লীগের পক্ষে নাশকতার মামলা দায়ের করা হয় এবং বাড্ডা, ভাটারা, ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন থানার মামলায় তারা গ্রেফতার হয়েছিলেন।

 


Top