ট্রাফিক সপ্তাহ বাড়ল আরও ৩ দিন | daily-sun.com

ট্রাফিক সপ্তাহ বাড়ল আরও ৩ দিন

ডেইলি সান অনলাইন     ১১ আগস্ট, ২০১৮ ১৬:২০ টাprinter

ট্রাফিক সপ্তাহ বাড়ল আরও ৩ দিন

 

নিরাপদ সড়ক ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার দাবিতে শিক্ষার্থীদের টানা ৯ দিনের আন্দোলনের মধ্যে শুরু হওয়া ট্রাফিক সপ্তাহের শেষ দিনে এই কর্মসূচি আরো তিন দিন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। শনিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

 
ডিএমপি কমিশনার বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আমরা সারাদেশে যে বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহের ঘোষণা দিয়েছিলাম, তা আরো তিন দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


তিনি বলেন, আমরা এই ট্রাফিক সপ্তাহে ব্যক্তি, পেশা, তার অবস্থান নির্বিশেষে সবাইকে এই বার্তা দিতে পেরেছি যে, ট্রাফিক আইন অমান্য করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।


ট্রাফিক সপ্তাহের গত ছয় দিনে পুলিশের অভিযানের তথ্য তুলে ধরে আছাদুজ্জামান বলেন, এই সময়ে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় মোট ১ লাখ ১৩ হাজার ৪২৩টি মামলা হয়েছে। লাইসেন্স না থাকায় মোট ১১ হাজার ৪০৫ জন চালকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।


তিনি জানান, ফিটনেস না থাকায় ডাম্পিং করা হয়েছে পাঁচ হাজার ৫৭২টি গাড়ি। আর এই সময়ে জরিমানা আদায়ের মাধ্যমে রাজস্ব আয় করা হয়েছে ৩ কোটি টাকার বেশি।


ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে এখানে এসেছি। কোমলমতি শিশুরা আমাদের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। তাদের দাবি যৌক্তিক, ন্যায্য।

আমরা তাদের চেতনাকে অন্তরে ধারণ করেছি বলেই একটি বার্তা দিতে চাই, ট্রাফিক লঙ্ঘনকারী যেই হোক না কেন আমরা তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেব।


বর্তমান ট্রাফিক ব্যবস্থার সমস্যাগুলো তুলে ধরে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, বিশ্বের সব দেশে কর্মঘণ্টা থাকলেও আমাদের দেশে ট্রাফিকদের কোনো কর্মঘণ্টা নেই। বিভিন্ন দেশে ডিজিটালভাবে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা হলেও, আজও আমাদের হাতের ইশারায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। তারপরও আমরা সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছি।


তিনি বলেন, একটি দেশের ট্রাফিক চারটি ধাপে বিভক্ত। প্রথমটা হলো ট্রাফিক ইনফোর্সমেন্ট যা দেখার দায়িত্ব পুলিশের। দ্বিতীয় ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং যেটা দেখার কথা সিটি করপোরেশনের। ট্রাফিক ইনভায়রনমেন্ট দেখার কথা বিভিন্ন সরকারি সংস্থার। আর ট্রাফিক এডুকেশন দেখার কথা বিআরটিএ ও বিভিন্ন এনজিও’র। অথচ আমাদের দেশে দিনশেষে পুলিশকেই এসব দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

 


Top