সিলেট সিটি করপোরেশনের স্থগিত কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে | daily-sun.com

সিলেট সিটি করপোরেশনের স্থগিত কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে

ডেইলি সান অনলাইন     ১১ আগস্ট, ২০১৮ ০৯:৪০ টাprinter

সিলেট সিটি করপোরেশনের স্থগিত কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে

 

সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে স্থগিত দুটি কেন্দ্রের পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। শনিবার (১১ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে এ দুটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

ভোট চলবে একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত।


এ দুটি কেন্দ্র হচ্ছে- গাজী বুরহানউদ্দিন গরম দেওয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হবিনন্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র। এখানে মেয়র, কাউন্সিল, সংরক্ষিত কাউন্সিলর সব পদে পুনঃভোট গ্রহণ হচ্ছে।


গত ৩০ জুলাই সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে অনিয়ম বিশৃঙ্খলার কারণে এ দুটি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করেছিল নির্বাচন কমিশন।


আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসের ফল ঘোষণার কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত ১৩২টি কেন্দ্রের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৯৬ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৭০ ভোট।


সেই হিসেবে আরিফুল হক চৌধুরী সিসিক নির্বাচনে ১৩২টি কেন্দ্রে চার হাজার ৬২৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। অপরদিকে, স্থগিত হওয়া দুটি কেন্দ্রের মোট ভোটার চার হাজার ৭৮৭। নির্বাচনী এই হিসেবে বিজয় নিশ্চিত করার জন্য ১৬১টি ভোট প্রয়োজন ছিল আরিফুল হকের।


এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) স্থগিত দুটি কেন্দ্রের মৃত ভোটারদের তালিকা প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে. এম. নুরুল হুদার কাছে জমা দিয়েছেন আরিফুল হক চৌধুরী। সেদিন আরিফুল হক সাংবাদিকদের বলেছিলেন, 'আমি সিইসির কাছে এসেছিলাম সিলেট সিটি করপোরেশনের যেসব ভোটার মারা গেছেন, তাদের তালিকা দিতে। কারণ, মৃত ব্যক্তি ভোট যাতে অন্য কেউ দিতে না পারেন। তার ভোট যেন কাস্ট না হয়। তবে এসব করেই আমাকে হারাতে পারবে না। আমাকে জনগণ চায়। '


বিএনপি প্রার্থী আরো বলেন, 'এ ছাড়া যেসব ভোটার দেশের বাইরে আছেন, তাদের তালিকাও আমরা দিয়েছি। আরো বিভিন্ন অনিয়মের কথা সিইসিকে জানিয়েছি। তিনি ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানিয়েছেন। ভোট সুষ্ঠু হলে আমি এক লাখ ভোট বেশি পেতাম। '


সাবেক মেয়র বলেন, 'দুইটা কেন্দ্রে মোট ভোটার চার ৭৮৭ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১১৮ জন। আর বিদেশে অবস্থান করছেন মোট ১৮০ জন। এ ছাড়া তিনজন ভোটার এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। '

 


Top