ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন! | daily-sun.com

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন!

ডেইলি সান অনলাইন     ৬ আগস্ট, ২০১৮ ১৬:৫৬ টাprinter

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন!

৩০ জুলাই আসামে জাতীয় নাগরিক পঞ্জির চূড়ান্ত খসড়া প্রকাশিত হওয়ার পরেই ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের জন্মস্থান নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। আসামে যেখানে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে, সেখানে ত্রিপুরার বিপ্লব দেবকেই ‘বাংলাদেশি’ বলা হচ্ছে।

   

 

অনলাইন এনসাইক্লোপিডিয়া উইকিপিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে তথ্য-যুদ্ধ এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, গত এক সপ্তাহে বিপ্লব কুমার দেবের উইকিপিডিয়ার পাতাটি ৩৭ বার সম্পাদনা করা হয়েছে, এমনই দাবি করছে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

 

বিজেপি দলের থেকে নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীর সঠিক জন্মস্থান কোনটি তা নিয়েই মূল ঝামেলা। একদলের বক্তব্য তাঁর জন্মস্থান ত্রিপুরার গোমতী জেলায়। আর অন্য দলের দাবি বিপ্লবের জন্ম বাংলাদেশের চাঁদপুরে।

 

যাঁরা দাবি করছেন বিপ্লব দেবের জন্মস্থান বাংলাদেশ, তাঁরা উইকিপিডিয়ায় লিখছেন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার রাজধর নগর গ্রামে জন্মেছিলেন তিনি। জন্ম তারিখ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে ২৫ নভেম্বর, ১৯৭১। অবৈধ ভাবে ভারতে এসে তিনি ত্রিপুরায় পড়াশোনা করেছেন ও তাঁর ছোটবেলা এই দেশেই কেটেছে বলে দাবি এই পক্ষের।

 

তার পরেই অবশ্য এই তথ্যগুলি সম্পাদিত হয়ে যায় উইকিপিডিয়ায়। তিনি ত্রিপুরাতেই জন্মেছেন বলে লেখা হয় সেই পাতায়।

বিপ্লব দেবের মিডিয়া পরামর্শদাতা সঞ্জয় মিশ্র সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর বাবা হারাধন ১৯৬৭ সালের ২৭ জুন ত্রিপুরার উদয়পুরের বাসিন্দা হিসেবে নিজেকে নথিভুক্ত করেছিলেন। এটি হয়েছিল ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনের নিয়ম মেনেই। ’’

 

বিপ্লব দেব গোমতী জেলার উদয়পুরেই জন্মগ্রহণ করেছেন বলেই জানিয়েছেন সঞ্জয় মিশ্র। তাঁর দাবি রাজনীতির কারণেই এই নিয়ে জলঘোলা করা হচ্ছে।

 

অসমের নাগরিক পঞ্জির উদ্দেশ্যই হচ্ছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করে বৈধ ভারতীয় নাগরিকদের থেকে আলাদা করা। বিজেপি অবশ্য পশ্চিমবঙ্গেও একই রকম পঞ্জি তৈরির পক্ষে।  

 


Top