প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের কথা বললেও তার লোকজনের গায়েবের উন্নয়নের কথা বলেননি: রিজভী | daily-sun.com

প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের কথা বললেও তার লোকজনের গায়েবের উন্নয়নের কথা বলেননি: রিজভী

ডেইলি সান অনলাইন     ২২ জুলাই, ২০১৮ ১৪:৩৩ টাprinter

প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের কথা বললেও তার লোকজনের গায়েবের উন্নয়নের কথা বলেননি: রিজভী

 

গণসংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উন্নয়নের কথা বললেও তার সরকারের লোকজন ও দলীয় নেতাকর্মীদের দ্বারা যেসব গায়েবের উন্নয়ন হচ্ছে সে কথা বলেননি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টের ২২ ক্যারেটের সোনা ১৮ ক্যারেট হয়ে যায়।

জলি সোনা মিশ্র ধাতু হয়ে যায়। আবার বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে আড়াই লাখ টন কয়লা গায়েব হয়ে যায়। মূলত প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের উন্নয়ন না করলেও দলীয় নেতাকমর্মীদের উন্নয়ন করছেন।


রবিবার (২২ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রুহুল কবির রিজভী।  


তিনি বলেন, মানুষকে কষ্ট দিয়ে, ঢাকাবাসীকে রুদ্ধশ্বাসে রেখে প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনার নামে আদিখ্যেতা করা হয়েছে।


একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, আসন্ন তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনও খুলনা-গাজীপুরের মতোই ভীতিকর অবস্থায় পরিণত হয়েছে। তিন নির্বাচনী এলাকাতেই বিএনপিসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদেরকে গণগ্রেফতার, ভয়-ভীতি প্রদর্শণ, নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় বাধা, ধানের শীষের সমর্থক, এজেন্টদের সাদা পোশাকে তুলে নেয়া ও পরে তা অস্বীকার করার ধুম শুরু হয়েছে।


রিজভী বলেন, আওয়ামী চেতনায় সাজানো প্রশাসন নির্বাচনী এলাকাগুলোতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর ইউরোপে মধ্যযুগীয় ‘ডাইনি শিকার’ এর ন্যায় অভিযানে নেমেছে।


বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনাররা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তা হিসেবে বিশ্বস্ততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের শপথ নিয়েছেন।

কিন্তু খুলনা-গাজীপুরসহ চলমান সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনগুলোতে ঢালাও অনিয়ম ও অনাচারে সমগ্র নির্বাচনী ব্যবস্থা তছনছ হওয়ার পরও তাদের নীরব দর্শকের ভূমিকা অনাকাঙ্খিত, অনভিপ্রেত ও অপ্রত্যাশিত। ভোট সন্ত্রাসকে মহিমান্বিত করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ও কমিশনের বক্তব্য অভিন্ন।


খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসা দাবি জানিয়ে রিজভী বলেন, শনিবার কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার আইনজীবী ও পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি এখনও গুরুতর অসুস্থ। তার জ্বর ও শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা কোনোভাবেই কমছে না। অসুস্থতার কারণে তিনি দোতলা থেকে নিচে নামতেই পারছেন না। তার শারীরিক সমস্যা আরও বেড়েছে।


তিনি বলেন, বারবার ইউনাইটেড হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার দাবি জানানো হলেও সরকার ভ্রুক্ষেপহীন ও উদাসীন।


সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এমএ মান্নান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভুইয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ,প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম, শামসুজ্জামান সুরুজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 


Top