এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন ২০-২৬ জুলাই | daily-sun.com

এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন ২০-২৬ জুলাই

ডেইলি সান অনলাইন     ১৯ জুলাই, ২০১৮ ১৭:৩৬ টাprinter

এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন ২০-২৬ জুলাই

 

চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

ফল আশানুরুপ না হলে পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে। রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক থেকে ২০ থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে।

 
পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর দেওয়া হবে।


আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।


প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে। যেসব বিষয়ের দুটি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে সেসব বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করলে ৩০০ টাকা ফি কাটা হবে।


একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে, এ ক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ দিয়ে লিখতে হবে।


প্রসঙ্গত, এবার সারা দেশে ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দুই হাজার ৫৪১টি কেন্দ্রে মোট ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

এর মধ্যে সাধারণ আট বোর্ডে শিক্ষার্থী ছিল ১০ লাখ ৯২ হাজার ৬০৭ জন। মাদ্রাসা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ১২৭ জন। কারিগরি বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৫৪ পরীক্ষার্থী ছিল। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৮ লাখ ৫৮ হাজার ৮০১ জন। শাতাংশিক হিসেবে যা ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ।   সে হিসেবে এবার পাসের হার কমেছে ২.২৭ শতাংশ।

 
এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৯ হাজার ২৬২ জন। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৩৭ হাজার ৭২৬ জন। সেই হিসাবে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৮ হাজার ৪৬৪ জন।


গণভবনে ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসেন, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী। এরপর প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নেত্রকোনাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখান থেকে শিক্ষার্থীরাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীও তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং জানতে চান তারা লেখাপড়া শিখে কী করবে। শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভুতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন।


চলতি বছর ২ এপ্রিল থেকে ১৪ মে এইচএসসির লিখিত পরীক্ষা চলে। আর ১৪ থেকে ২৩ মের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৫৮ দিনে এবার  ফল প্রকাশ করা হয়।


তবে দুপুর দেড়টা থেকেই পরীক্ষার্থীরা নিজেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ফল জানতে পারছেন। এর পাশাপাশি শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট (http://www.educationboard.gov.bd) থেকেও ফল জানা যাচ্ছে।


গত বেশ কয়েক বছর ধরে পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে ফাঁস নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা ছিল তুঙ্গে। কিন্তু এবার প্রশ্ন ফাঁসের কোনো ধরনের অভিযোগ প্রায় ছিল না বলেই চলে।

 

এবার এক নজরে দেখে নেয়া যাক এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল:

 

 

 


Top