ম্যারিকো বাংলাদেশের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত | daily-sun.com

ম্যারিকো বাংলাদেশের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ডেইলি সান অনলাইন     ১৮ জুলাই, ২০১৮ ২০:০৪ টাprinter

ম্যারিকো বাংলাদেশের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

 

 ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের (এমবিএল) ১৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আজ বুধবার র‌্যাডিসন ব্লু  ওয়াটার গার্ডেন, ঢাকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এমবিএল হচ্ছে শীর্ষস্থানীয় এফএমসিজি ও এমএনসি কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি।

বর্তমানে বাংলাদেশে পারসোনাল্ কেয়ার, বিউটি ও ওয়েলনেস পণ্য বিপণনের ক্ষেত্রে এমবিএল একটি অত্যন্ত বিশ্বস্ত নাম।  

 

ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভায় কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাব সৌগত গুপ্ত সভাপতিত্ব করেন। সভায় ম্যারিকো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জনাব নবীন পান্ডে, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের মধ্যে জনাব সঞ্জয় মিশ্রা, জনাব ভিভেক কারভি ও স্বতন্ত্র পরিচালক মিসেস রোকিয়া আফজাল রহমান, জনাব মাসুদ খান ও জনাব আশরাফুল হাদি সহ কোম্পানির ঊর্দ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) কোম্পানির বিপুলসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার উপস্থিত ছিলেন। সভায় কোম্পানির পক্ষ থেকে উপস্থাপিত সবগুলো এজেন্ডা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। এজিএমে অনুমোদিত উল্লেখযোগ্য এজেন্ডাগুলো ছিলÑ কোম্পানির পরিচালকমন্ডলীর প্রতিবেদন ও অডিটর রিপোর্ট বা নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুমোদন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের অডিটেড ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্ট বা নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন ও ম্যারিকো বাংলাদেশের অনুমোদিত মোট লভ্যাংশের ঘোষনা, পরিচালকগণের নির্বাচন/পুনঃনির্বাচন এবং স্বতন্ত্র অডিটর বা নিরীক্ষক নিয়োগ অনুমোদন। ২০০৯ সালে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর এটি হলো ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের ৯ম এজিএম।

 

এজিএম থেকে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ (প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১০ টাকা করে) অনুমোদন করা হয়েছে। এর আগে কোম্পানির বিগত অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য অন্তর্বর্তীকালিন ৫০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ (প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৫০ টাকা) ঘোষণা ও বিতরণ করা হয়েছে।

ফলে চলতি ২০১৮ সালের ৩১ মার্চে সমাপ্ত অর্থবছরে ম্যারিকো বাংলাদেশের অনুমোদিত মোট লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬০০ শতাংশ (প্রতি শেয়ারে ৬০ টাকা)।

 

সভায় বক্তব্য প্রদানকালে ম্যারিকো বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সৌগত গুপ্ত কোম্পানির কার্যক্রমের সফলতা তুলে ধরে বলেন, আলোচ্য অর্থবছরে ম্যারিকো বাংলাদেশ কর-পরবর্তী নিট মুনাফা অর্জন করেছে ১৬৪ কোটি টাকা। আর মোট আয় হয়েছিল ৭৮১ কোটি টাকা। আলোচ্য বছরে ম্যারিকো বাংলাদেশের শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএসের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫২.১৫ টাকা।  

সভায় জানানো হয়, বিগত অর্থবছরে ম্যারিকো বাংলাদেশ কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ও ডিউটি বা শুল্ক বাবদ সরকারের কোষাগারে মোট ২২৮ কোটি টাকা জমা দিয়েছে। আলোচ্য বছরে ঢাকা আহসানিয়া মিশনের (ডিএএম) সহযোগিতায় ম্যারিকো বাংলাদেশ তার সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর কার্যক্রমও অব্যাহত রাখে। এর আওতায় জামালপুর উপজেলায় ৩ হাজারেরও বেশি সুবিধা বঞ্চিত ও স্কুলে না যাওয়া শিশুকে বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ করে দিতে ৭৫টি চিল্ড্রেন লার্নিং সেন্টার (সিএলসি) স্থাপন করেছে।

 

জনাব গুপ্ত আরও জানান, ২০১৭ সালে ”প্যারাসুট এ্যাডভান্সড” বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ হেয়ার ওয়েল ব্র্যান্ড হিসেবে পুরস্কার অর্জন করেছেন এবং ১০টি শ্রেষ্ঠ ব্র্যান্ডের মধ্যে অন্যতম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। সেইসাথে কধহঃধৎ এষড়নধষ চধহবষ ”প্যারাসুট” ব্র্যান্ডকে বাংলাদেশের শীর্ষ ৫ ঋগঈএ ব্র্যান্ড এর মধ্যে স্বীকৃতি দিয়েছে। তাছাড়া, টেকসই উন্নয়নকে আমরা আমাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গ্রহন করে গত বছর জ্বালানী খরচ ৯.৯% ও পানির খরচ ১২৮৫ কিলোলিটার কমিয়ে এনেছি। ব্যবসাকে স্থিতিশীল রাখতে আমরা খরচ কমানোর দিকে লক্ষ রাখছি । উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে ভাল ব্যবসার প্রতি আমি আশাবাদী কারন এদেশের তরুন সমাজের বড় একটি অংশ এই ব্যবসার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত তাদের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন করে যাচ্ছে।  

              


Top