গভীর রাতে নিজের রুমে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে চিকিৎসক | daily-sun.com

গভীর রাতে নিজের রুমে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে চিকিৎসক

ডেইলি সান অনলাইন     ১৭ জুলাই, ২০১৮ ১৯:৩৬ টাprinter

গভীর রাতে নিজের রুমে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে চিকিৎসক

সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নানীকে চিকিৎসা করাতে এসে এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষিত ওই কিশোরী নবম শ্রেণির ছাত্রী।

কিশোরীকে হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

 

রবিবার গভীর রাতে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তৃতীয়তলায় নাক, কান ও গলা বিভাগের ইন্টার্ন চিকিৎসক মাক্কাম আহমদ মাহীর রুমে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় অভিযুক্ত ওই চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে।

 

মেয়েটির বাবা জানান, তার নানীর চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্রের ফাইল দেখার কথা বলে রাত ১টার দিকে নিজের রুমে ডেকে নেয় ইন্টার্ন চিকিৎসক মাক্কাম আহমদ মাহী (৩০)। এ সময় সে আমার মেয়েকে তার রুমে জোর করে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। তিনি বলেন, আমার মেয়ে চিৎকার করলেও কেউ তাকে রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসেনি।

 

কিশোরীর বাবা বলেন, আমার মেয়ে যখন কান্নাকাটি করছিল তখন ওই চিকিৎসক এ বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য হুমকি-ধমকি দেয়। এরপর থেকেই মেয়েটি ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে পড়ে। তার চেহারায় আতঙ্কের ছাপ দেখে কারণ জানতে চাইলে সে আমাদের ঘটনা খুলে বলে।

প্রায় এক সপ্তাহ আগে আমি আমার বৃদ্ধা শাশুড়িকে হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিভাগের তৃতীয় তলার ৮নং ওয়ার্ডের ১৭নং বেডে ভর্তি করি।

 

তিনি বলেন, শনিবার রাতে তার শরীরে অস্ত্রপচার করেন চিকিৎসকরা। শাশুড়িকে দেখভাল করার জন্য আর কেউ না থাকায় আমার মেয়েকে সেখানে পাঠাই। এরপর রবিবার রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন ৮নং ওয়ার্ড ও ৭নং ওয়ার্ডের দায়িত্বে ছিলো নাক, কান ও গলা বিভাগের ইন্টার্ন চিকিৎসক মাক্কাম আহমদ মাহী। ৮নং ওয়ার্ডে রাত সাড়ে ১২টার দিকে পরিদর্শন করার সময় সে আমার মেয়েকে তার নানির চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র নিয়ে ৭নং ওয়ার্ডে তার কক্ষে যাওয়ার কথা বলে।

 

এর আগে, হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই ফারুক আহমদ জানান, ওষুধ লিখে আনতে ওই চিকিৎসকের রুমে যায় মেয়েটি। এ সময় দরজা আটকে তাকে ধর্ষণ করেন ওই ডাক্তার।

এ ব্যাপারে ওসি মোশাররফ হোসেন বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই চিকিৎসককে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে এখন ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 


Top