কোটাবিরোধী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে হামলা | daily-sun.com

কোটাবিরোধী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে হামলা

ডেইলি সান অনলাইন     ১৫ জুলাই, ২০১৮ ১৫:০৯ টাprinter

কোটাবিরোধী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে হামলা

 

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীদের নিপীড়ন, নির্যাতন ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে শহীদ মিনারে নিপীড়নবিরোধী কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা হামলার শিকার হয়েছেন। রবিবার (১৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহীদ মিনারে অবস্থান নেন নিপীড়নবিরোধী শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

পাশাপাশি অবস্থান নেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরাও। পরে কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে হামলা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।


এতে পথচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক তানজীম উদ্দিন খান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ফাহমিদুল হকসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।


জানা গেছে, পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুসারে কোটা সংস্কারের পক্ষে সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে বেলা সাড়ে ১১টায় শহীদ মিনারে মানববন্ধন শুরু হয়। এতে সমর্থন জানিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অংশ নেন।  

 


‘পাশেই গুজবে কান দেবেন না’ স্লোগানে ছাত্রলীগ কর্মীরাও মানববন্ধন শুরু করে। শিক্ষকরা বক্তব্য দেয়ার সময় তারা উসকানিমূলক বক্তব্য দেয়। পরে দুপক্ষই মিছিল নিয়ে শহীদ মিনার থেকে টিএসসির দিকে রওনা দেয়।

বঙ্গবন্ধু টাওয়ারের সামনে আসলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ হামলা শুরু করে।


পরে ফাহমিদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, আজ পূর্ব নির্ধারিত নিপীড়ন বিরোধী কর্মসূচি ছিল শহীদ মিনারে। আমাদের মাইক চালু হওয়ার পর ছাত্রলীগও দাঁড়িয়ে যায় পাশে। তারাও মাইক ব্যবহার করে। পরিস্থিতি অস্বাভাবিক করার চেষ্টাও চলে। শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করে ফেরার পথে আমাদের কর্মসূচিতে অংশ নেয়া শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ওপর হামলা হয়, শিক্ষার্থীদের মারধর করা হয়। শিক্ষকদের চেতনা নিয়ে কটূক্তি করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।


তিনি বলেন, নিপীড়নের শিকার শিক্ষার্থীদের পক্ষে শিক্ষক হিসেবে পাশে দাঁড়ানো আমার নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এমন কর্মসূচি যদি আমরা করতে না পারি তবে জাতি হিসেবে আমাদের লজ্জার। আমরা বিষয়টি নিয়ে অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানাবো।


অন্যদের মধ্যে এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের তানজিম উদ্দিন খান, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সামিনা লুৎফর।

 

 

 

 

 


Top