গুহায় হারানো আরও ৩ থাই ক্ষুদে ফুটবলারকে উদ্ধার | daily-sun.com

গুহায় হারানো আরও ৩ থাই ক্ষুদে ফুটবলারকে উদ্ধার

ডেইলি সান অনলাইন     ৮ জুলাই, ২০১৮ ২০:২৮ টাprinter

গুহায় হারানো আরও ৩ থাই ক্ষুদে ফুটবলারকে উদ্ধার

 

থাইল্যান্ডের গুহায় দুই সপ্তাহ ধরে আটকা থাকা ক্ষুদে ফুটবলারদের মধ্যে থেকে আরও তিনজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে করে মোট ছয়জন কিশোরকে গুহার ভেতর থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হলো।


দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের গুহায় আটকা পড়ে ছিলেন ১২ কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচ। ইতোমধ্যেই ছয়জনকে উদ্ধার করায় গুহার ভেতর আরো সাতজন আটকা পড়ে আছেন।


ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৩ জন বিদেশি ডুবুরি ও থাইল্যান্ডের নৌবাহিনীর অভিজাত শাখার পাঁচ সদস্য রবিবার (৮ জুলাই) স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় উদ্ধার অভিযান শুরু করে।  


জানা গেছে, প্রথম কিশোরকে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৭ মিনিটে গুহা থেকে বের করে নিয়ে আসার পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপর দ্বিতীয় কিশোরকে উদ্ধার করা হয় ৫টা ৫০ মিনিটে। তৃতীয় কিশোরকে গুহা থেকে বের করা সম্ভব হয় ১৬ মিনিটের মাথায়। তাদেরকেও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে আরেক কিশোরকে উদ্ধার করা হয়।

 


বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুহায় ১৮ সদস্যের উদ্ধারকারী দলে থাকা চিকিৎসকরা ঠিক করছেন কাকে আগে বের করে নিয়ে আসা হবে আর পর্যায়ক্রমে কাদের সিরিয়াল আসবে। জানা গেছে, শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।


উদ্ধার মিশনের যৌথ কমান্ড সেন্টারের প্রধান ন্যারংস্যাক ওসোত্তানাকর্ন এক বিবৃতিতে জানান, সকাল ১০টায় গুহায় প্রবেশ করেছেন থাই নেভি সিলের পাঁচ সদস্যসহ বিদেশি ১৩ ডুবুরি। তাদের মধ্যে ১০ জন চেম্বার-৯ ও মাঝ রাস্তায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থান হিসেবে চিহ্নিত চেম্বার-৬ এর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন। স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় অন্য তিন ডুবুরি অভিযানে যোগ দিয়েছেন।


গত ২৩ জুন খুদে ওই ফুটবলারদের নিয়ে তার কোচ এক্কাপল চান্তাওয়াং গুহা দেখতে যান। কিন্তু গুহার ভেতরে ঢুকলে হঠাৎ বৃষ্টি আসলে তারা গুহার মুখ থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার ভেতরে চলে যান এবং সেখানেই এখন আটকা আছেন তারা। ইতোমধ্যে তাদের অক্সিজেন দিতে গিয়ে এক ডুবুরির মৃত্যু হয়েছে।


এর আগে শনিবার আটকে পড়া কিশোররা তাদের মা-বাবার কাছে চিঠি লিখে জানায়, তারা ভালো আছে, তাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

 

 

 


Top