'নেশা না করলে গাড়ি চালাতে পারি না’ | daily-sun.com

'নেশা না করলে গাড়ি চালাতে পারি না’

ডেইলি সান অনলাইন     ২৫ জুন, ২০১৮ ১৯:২৭ টাprinter

'নেশা না করলে গাড়ি চালাতে পারি না’

ট্রাক ড্রাইভার মাতাল অবস্থায় ট্রাক চালানোর কারণেই টাঙ্গাইলের বাবা-ছেলেসহ পাঁচজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন। ঈদের ছুটি শেষে ট্রাকে করে কর্মস্থলে ফিরছিলেন পেশায় শ্রমিক এসব মানুষ।

 

 

এ ঘটনায় আহত শহিদুল ইলামসহ একাধিক শ্রমিকের অভিযোগ করে বলেন, ট্রাক ড্রাইভার মাতাল অবস্থায় ট্রাক চালাচ্ছিলেন। তারা বলেন, ড্রাইভারকে বাধা দিলে ড্রাইভার তাদেরকে বলেন- আমার বাবাও নেশা করে। নেশা না করলে গাড়ি চালাতে পারি না।



আহতরা বলেন, ড্রাইভার নেশা করে মাতাল হয়ে পড়ে। এ কারণেই গাড়িটি খাদে পড়ে যায়। তবে পুলিশ বলছে, বিষয়টি তাদের জানা নেই। ঘটনার পর থেকে ট্রাকের চালক পলাতক রয়েছে।

 

 

প্রসঙ্গত, সোমবার সকাল সাড়ে ৫টার দিকে কালিহাতী উপজেলার সাতুটিয়া এলাকায় একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে বাবা-ছেলেসহ পাঁচজন নিহত হয়।

এ ঘটনায় ২৫ জন আহত হয়। হতাহতরা সবাই নির্মাণ শ্রমিক বলে জানায় পুলিশ।

 

 

নিহতরা হলেন- গাইবান্ধার বরদখালি গ্রামের মৃত মহির শেখের ছেলে আবুল হোসেন (৫৫) ও তার ছেলে আবদুর রাজ্জাক (২৬), সাঘাটা উপজেলার পদমি শহর গ্রামের ইব্রাহিম বেপারীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৬), ফুলছড়ি উপজেলার পশ্চিম ঘাটগাছি গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে সাইদুর রহমান (৩৫) ও গাইবান্ধা শহরের মিরপুর গ্রামের আবদুলের ছেলে কালাম (৩৫)।

 

আহত যাত্রীরা জানান, তারা সবাই প্রাণ আরএফএল কোম্পানির রাজ ও রড শ্রমিক। ছুটি শেষে গাইবান্ধা থেকে দু’টি ট্রাকযোগে অন্তত একশ’ জন সিলেটের উদ্দেশে রওনা হন।



টাঙ্গাইলের কালিহাতী থানার কাছে সাতুটিয়া ব্রিজের কাছে পৌঁছলে একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে অন্তত ৩৫ ফিট নিচে পড়ে যায়। মূলত ড্রাইভারের কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানান।

 

 

জানা গেছে, নিহত আবুল শেখের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। বড় ছেলে রাজ্জাককে নিয়ে একই কোম্পানিতে কাজ করতেন তিনি। পরিবারের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটিয়ে তারা কর্মস্থলে ফিরছিলেন। কিন্তু একটি দুর্ঘটনায় তাদের অভাবের সংসারে অন্ধকার নেমে এসেছে।

 

 



 

 


Top