রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট নিয়ে গভীর আগ্রহ ভারতের | daily-sun.com

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট নিয়ে গভীর আগ্রহ ভারতের

ডেইলি সান অনলাইন     ১৪ জুন, ২০১৮ ১৩:৩৮ টাprinter

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট নিয়ে গভীর আগ্রহ ভারতের

 

পশ্চিম বঙ্গের পূর্ব প্রান্ত থেকে দুই ঘন্টারও কম সময়ের দূরত্বে আন্তর্জাতিক সীমানা পার হলেই বাংলাদেশের রূপপুরে উচ্চ-প্রযুক্তির পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্ল্যান্টের কাজ চলছে। যদিও এখানে উৎপাদিত বিদ্যুতের ভাগ পাবে না নয়াদিল্লী, কিন্তু কিভাবে পাওয়ার প্ল্যান্ট গড়ে ওঠে সেটা দেখতে চায় তারা।


বহু বছর ধরে ভারত চেষ্টা করছে যাতে বৈশ্বিক পারমাণবিক বাণিজ্যের বাজারে তারা পা ফেলতে পারে। কিন্তু বহু বিলিয়ন ডলারের এই বাজারে তাদের চেষ্টা সফল হয়নি কারণ তারা নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপ বা এনএসজি’র সদস্য নয়। কিন্তু এখন, রাশিয়া, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন ত্রিদেশীয় চুক্তির কারণে ভারতের জন্য এই বাজারে প্রবেশের দুয়ার খুলে গেছে।


রূপপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রথম প্রচেষ্টা। এই প্রকল্পের অধীনে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য রাশিয়ার কাছ থেকে পারমাণবিক রিয়্যাক্টর কিনবে বাংলাদেশ। ভারত তামিল নাড়ুর কুদানকুলামে যে পারমাণবিক রিয়্যাক্টর তৈরি করেছে, এখানকার প্রযুক্তি প্রায় একই রকম। তাই বাংলাদেশ ও ভারত এখানে এক সাথে কাজ করছে। এর মধ্যে প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণের বিষয়ও রয়েছে। যদি সব কিছু ঠিক মতো চলে তাহলে ভারতীয় কোম্পানিগুলো এখানে নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদিও সরবরাহ করবে।

২০২৩ সালের মধ্যে প্রথম পারমাণবিক রিয়্যাক্টরের কাজ শেষ করতে চায় বাংলাদেশ।


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব এম আনোয়ার হোসেন এনডিটিভিকে বলেছেন, “আমরা বাংলাদেশ, রাশিয়া এবং ভারত সরকারের মধ্যে এই ব্যাপারে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছি। এর আগে এ ব্যাপারে ভারত সরকারের সাথে বাংলাদেশের চুক্তি হয়েছে… ভারত কুদানকুলামে ভিভিইআর প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে এবং এ ব্যাপারে তাদের অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাংলাদেশ এই অভিজ্ঞতা থেকে লাভবান হতে চায়, কারণ পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নতুন। ”


রূপপুর যেহেতু ভারতীয় সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত, বাংলাদেশ কি এখান থেকে ভারতে বিদ্যুৎ রফতানি করবে? এমন প্রশ্নের জবাবে হোসেন বলেন, “না, আমরা সে ব্যাপারে কিছু ভাবিনি… বাংলাদেশের নিজেরই চাহিদা রয়েছে অনেক। ”


নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশান অব ইন্ডিয়া লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর গৌতম বিশ্বাস বলেন, ভারত, বাংলাদেশ এবং রাশিয়ার সহযোগিতার বিষয়টি তিন দেশীয় চুক্তির ভিত্তিতে সহযোগিতার একটি সুন্দর উদাহরণ। ”


- সূত্র: সাউথ এশিয়ান মনিটর ডট কম

 


Top