কোন দেশের কতটি স্যাটেলাইট আছে মহাকাশে? | daily-sun.com

কোন দেশের কতটি স্যাটেলাইট আছে মহাকাশে?

ডেইলি সান অনলাইন     ২ জুন, ২০১৮ ১৬:২৪ টাprinter

কোন দেশের কতটি স্যাটেলাইট আছে মহাকাশে?

মহাকাশে আমেরিকার স্যাটেলাইট আছে ১৬১৬টি। পাশের দেশ ভারতের স্যাটেলাইট ৮৮টি। পাকিস্তানের স্যাটেলাইট আছে ৩টি। মহাকাশে কেনিয়ার মতো দেশের স্যাটেলাইট আছে ১টা।

ফুটবলের দেশ আর্জেন্টিনার স্যাটেলাইট আছে ১৮টি। ব্রাজিলের আছে ১৭টি। সাউথ কোরিয়ার আছে ২৭টি। স্পেনের আছে ২৪টি। থাইল্যান্ডের আছে ৯টি। জাপানের প্রায় ১৭২টি।

 

 

মহাকাশে রুশ স্যাটেলাইট কয়টা আছে সেটা নিয়ে দ্বিমত থাকলেও ধরে নেয়া যায় এই সংখ্যা ১৪২ এর আশেপাশে হবে।

২০১৬ সালে রাশিয়া মহকাশে আরও ৭৩টি মাইক্রোস্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে।

উইকিপিডিয়া ঘাটলেই দেখবেন ব্যালাস্টিক সাবমেরিন আছে এরকম ৬টি এলিট দেশের তালিকায় ভারতের নাম আছে।

 

 

জাপান শান্তিপ্রিয় দেশ হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই। সেই জাপান ১৬টি সাবমেরিন তৈরি করেছে।

ইন্ডিয়ার আছে ১৬টি আর ইরানের আছে ৩১টি করে সাবমেরিন।

রাশিয়া নিজের সাবমেরিন নিজেই বানায়। এখন পর্যন্ত আছে ৬৩টি। চীনের আছে ৬৯টি। অবরোধের মধ্যে থেকে উত্তর কোরিয়া ১৫টি পরমাণু বোমা আর ৭৮টি সাবমেরিনের অধিকারী।

 

 

পরমাণু অস্ত্রের তালিকা করলে দেখা যায় সব থেকে বেশি পরমাণু অস্ত্র আছে সুপার পাওয়ার রাশিয়ার। প্রায় ৭ হাজারের উপর। এরপর লিস্টে আসে আমেরিকা। ৬৬৫০টি পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী আমেরিকা।

ভারত এবং পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র যথাক্রমে ১৩০ এবং ১৪০টি করে। ইসরাইলের আছে ৮০টি। আর ফ্রান্সের হাতে ৩০০টি করে আছে।

 

 

চীন এবং উত্তর কোরিয়ার আছে যথাক্রমে ২৭০টি এবং ১৫টি করে নিউক্লিয়ার উইপন্স।

স্বাধীনতার ৪৭ বছরে এসে একটা দেশ পড়ে আছে ফুটবল আর ক্রিকেটের উন্মাদনা নিয়ে। ক্রিকেটে আমাদের অবস্থান ভালো হইলেও ফুটবলে আমাদের র‍্যাঙ্কিং হইলো ১৯৭। ৪৭ বছর বয়সী দেশটার একটা ক্যাম্পাসও সারাবিশ্বে ১০০ সিরিয়ালে ঢুকতে পারে নাই।

 

 

লাল বাস আছে, শাটল আছে, প্যারিস রোড আছে, সংস্কৃতির রাজধানী আছে। সবই আছে। শুধু নাই সাইন্টিফিক মেধা। যে মেধা দিয়ে একটা দেশ এগিয়ে যেতে পারে।

ভারতে মাহিন্দ্রা, মারুতি সুজুকির মতো ব্রান্ড তৈরি হইলেও আমাদের দেশে এক 'প্রগতি' ছাড়া আমি কোন ব্রান্ড পাইনি।

 

 

সেই প্রগতি আবার গাড়ি বানায় না। তারা গাড়ির পার্টস জোড়া লাগায়। অথচ দেশে আছে বুয়েট, রুয়েট, চুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠান।

ঢাবির মতো প্রতিষ্ঠান আবিস্কারের জন্য বিখ্যাত নয়। তারা বিখ্যাত আন্দোলনের জন্য। যে কোন অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ঢাবির ছেলেরা গিয়ে রাস্তা ব্লক করে। সেটা নিউজ হবে। জাস্ট এইটুকু।

অথচ সুযোগ দিলে এই ঢাবি বিশ্বের ১০০ ক্যাম্পাসের মধ্যে যাওয়ার যোগ্যতা রাখে।

আমাদের ছেলেরা বুলেট ট্রেনের নকশা করে কিনা জানি না। তবে জাপানের বুলেট ট্রেন নিয়ে একটা প্রতিবেদন দেখেছিলাম।

 

 

সেখানে বলা হয়েছিল জাপানীরা যাতায়াত ব্যবস্থাকে এতটা সংক্ষিপ্ত করে এনেছে যে জাপানের যে কোন জায়গা থেকে টোকিওতে যেতে মাত্র ১ ঘন্টা সময় লাগে। সবই সুপার ফাস্ট বুলেট ট্রেনের বদৌলতে।

আমরা ক্রিকেট খেলি, বিশ্বকাপের পতাকা বানাই, ইউটিউবার বানাই। র‍্যাংকিং নিয়ে ফাইট করি। দেশটাকে সুযোগ দেন। দেশটা এগিয়ে যাক।

 

 

যেন ২০ বছর পরে আমরা বলতে পারি, আমাদের আছে বঙ্গবন্ধু সিরিজের ৪টি মিলিটারি স্যাটেলাইট। আছে ১০টি সাবমেরিন। আমাদের পরমাণু প্রকল্প আছে। আমরা কারো কাছে মাথা নত করতে আসি নাই।

 

আরাফাত আব্দুল্লাহর ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে।

 


Top