বিড়ি শিল্প রক্ষায বৈষম্যমুলক শুল্কনীতি প্রত্যাহার দাবি | daily-sun.com

বিড়ি শিল্প রক্ষায বৈষম্যমুলক শুল্কনীতি প্রত্যাহার দাবি

ডেইলি সান অনলাইন     ৩১ মে, ২০১৮ ০০:০৬ টাprinter

বিড়ি শিল্প রক্ষায বৈষম্যমুলক শুল্কনীতি প্রত্যাহার দাবি

বিড়ি খাতের ওপর আরোপিত বৈষম্যমূলক শুল্কনীতি প্রত্যাহার এবং বিড়ি শিল্প রক্ষার দাবিতে বুধবার সকালে যশোর কাস্টমস অফিসের সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের ক্ষিণাঞ্চল শাখা এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে কয়েক হাজার শ্রমিক অংশ নিয়ে বিড়ি শিল্প রক্ষার দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান দেন।

 

বক্তারা অভিযোগ করেন, বিদেশি সিগারেট কোম্পানির শুল্ক কম ধরে দেশি বিড়ি শিল্প ধ্বংস করার জন্য বিড়ির ওপর অতিরিক্ত শুল্ক ধরা হয়েছে। তারা বৈষম্যমূলক এই শুল্ক নীতি প্রত্যাহার করার দাবি জানান।

 

পরে যশোর কাস্টমস কমিশনারের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান বরাবর এ ব্যাপারে  ৪-দফা দাবি সম্বলিত  স্মারকলিপি দেয়া হয়। স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, গত অর্থবছরে বিড়ির ট্যাক্স বেড়েছে ৬১ শতাংশ সেখানে সিগারেটের বাড়ানো হয়েছে মাত্র ২১ শতাংশ।

 

এতে আরও বলা হয়, দামি সিগারেটের মুল্য ২০১৪-১৫ অর্থবছরে স্তর ভেদে ৯০ টাকা থেকে কমিয়ে ৭০ টাকা করা হয়েছে, যা এখনো কার্যকর রয়েছে। বহুজাতিক কোম্পানির জন্য নি¤œস্তর মুল্য ৩৫ টাকা করা হলেও এখনো পর্যন্ত তারা সহায়ক শক্তি ব্যবহার করে ২৭ টাকা মুল্যে বিক্রি করছে। বিগত ১৫ বছর ধরে বিড়ি শিল্পের প্রতি এই বৈষম্যনীতির কারণে এ শিল্প আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

 

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, এ শিল্প আর থাকবেনা জানতে পেরে এ শিল্পের সাথে জড়িত হাজার হাজার মানুষ এখন উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।

অথচ আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বিড়িকে কুটির শিল্প ঘোষণা করা হয়েছে।

 

স্মারকলিপিতে সার্বিক দিক বিবেচনা করে যতদিন সিগারেট থাকবে ততদিন বিড়ি শিল্প টিকিয়ে রাখা, ভারতের মতো বিড়িকে কুটির শিল্প ঘোষণা করা, ভারতের মতো প্রতি হাজার বিড়িতে শুল্ক ১৪ টাকা করা এবং যেসব কারখানায় ২০ লাখ শলাকার কম বিড়ি উৎপাদন হয় তাদের কাছ থেকে শুল্ক না নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

 

মানববন্ধন চলাকালে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের আহ্বায়ক ফজলুর রহমান, শ্রমিক নেতা আলমগীর হোসেন, নূর এ আযম, মায়া খাতুন ও খোদেজা খাতুন।  


Top