লস্কর-ই-তৈয়্যবার নিজস্ব মোবাইল নেটওয়ার্ক | daily-sun.com

লস্কর-ই-তৈয়্যবার নিজস্ব মোবাইল নেটওয়ার্ক

ডেইলি সান অনলাইন     ২৪ মে, ২০১৮ ২০:০৫ টাprinter

 লস্কর-ই-তৈয়্যবার নিজস্ব মোবাইল নেটওয়ার্ক

এবার আনট্রেসেবল ফোন ব্যবহার করতে চলেছে পাকিস্তান ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর–ই–তৈয়্যবা। এই ফোনের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করা যায় না বলে ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে।

এই নতুন ধরণের মোবাইল হ্যান্ডসেট তৈরি করেছে লস্কর–ই–তৈয়্যবা জঙ্গি গোষ্ঠীর ছাত্র সংগঠন আল মুহাম্মাদিয়া স্টুডেন্টস বা ‌এএমএস।

 

এমনই বিস্ফোরক তথ্য জানিয়েছে ভারতে আটক ২০ বছরের লস্কর জঙ্গি জাইবুল্লা ওরফে হামজা। ভারতীয় জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ-র জেরার মুখে পড়ে এই তথ্য জানায় পাকিস্তানের মুলতানের প্রশিক্ষণরত এই জঙ্গি। ২০১৮ সালের ৭ এপ্রিল হামজাকে কুপওয়াড়ার জুগদিয়াল এলাকার একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ।

 

হামজার আরও দাবি, গত বছর পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গা থেকে ৪৫০ জন ছেলেকে নিয়োগ করেছে লস্কর। তাদের ভারত–বিরোধী অপরেশনের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলেও সে জানায়। এরপরেই সতর্ক হয়েছে ভারতের গোয়েন্দা দপ্তর। তবে তারই মধ্যে এই ফোনের খবরে বেশ কিছুটা চিন্তায় পড়ে গেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

 

হাফিজ সাইদের সংগঠনের জন্য যে নতুন ধরনের হ্যান্ডসেট তৈরি করা হয়েছে, তা ব্যবহার হতে শুরু হলে, সমস্যা ও আতঙ্ক যে আরও বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

লস্কর জঙ্গিরা একে–অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য এই মোবাইলটি ব্যবহার করবে বলে জানা গিয়েছে। বিশেষ ধরনের চিপ এই মোবাইলের মধ্যে ঢুকিয়ে দিলে তা নিজে থেকেই কাছাকাছি থাকা সব সংস্থার মোবাইল টাওয়ার খুঁজে নেবে।

 

শুধু তাই নয়, তদন্তকারী কর্মকর্তারা সেই নম্বরে ফোন করলে, কলটি নিজে থেকেই বাতিল হয়ে যাবে।

‘‌বুরহান ওয়ানি’‌–এর নাম করে ১৫ থেকে ২৫ বছর বয়সী ছেলেদের অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। লস্কর এবং জামাত–উদ–দাওয়া (‌জুদ)‌ মুজাফরবাদের মস্কর খাইবার এলাকাতে গোপনে প্রশিক্ষণ শিবির চালায় বলেও এনআইএ জানতে পেরেছে। এছাড়াও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে যুবকদের আত্মঘাতী বিস্ফোরণের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

 

এনআইএর অনুমান, কাশ্মীরি যুবকরা আতারি হয়ে পাকিস্তানে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীতে যোগ দেয়। হামিজের কাছ থেকে পাওয়া এই মোবাইল হ্যান্ডসেটের তথ্য এনআইএ ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের কাছে পাঠিয়েছে। তারাও এ বিষয়ে তথ্য যোগাড় করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

 

 

সূত্র: কলকাতা ২৪x৭

 


Top