সোনা দিয়ে মোড়ানো ফ্রায়েড চিকেন | daily-sun.com

সোনা দিয়ে মোড়ানো ফ্রায়েড চিকেন

ডেইলি সান অনলাইন     ২৪ মে, ২০১৮ ১৫:৪৬ টাprinter

সোনা দিয়ে মোড়ানো ফ্রায়েড চিকেন

আমেরিকার এক রেস্টুরেন্ট সোনায় মোড়ানো ফ্রায়েড চিকেন বিক্রি শুরু করেছে। নিউ ইয়র্কের এই রেস্টুরেন্ট ২৪-ক্যারেট সোনার ম্যরিনেড ডোবানো এই ভাজা মুরগী ১০০০ ডলার দামে বিক্রি করছে।

এই ফ্রায়েড চিকেনের ধারণাটি এসেছে জনাথান চেবান, ওরফে 'ফুডগড'-এর কাছ থেকে। এ নিয়ে তিনি ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করেছেন যা ভাইরাল হয়েছে।

 

যেভাবে ভাজা হয় সোনালী মুরগী

 

প্রথমে মুরগীর টুকরো নোনা জলে ১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখা হয়। পরে ঘরে তৈরি ড্রাই রাবে টুকরোগুলোকে ডুবো তেলে ভাজা হয়। এরপর মধু এবং বারবিকিউ সসে তৈরি ম্যারিনেডে ডুবিয়ে আরেক দফা ভাজার আগে সোনার গুড়ো দিয়ে মুরগীর টুকরোগুলোর ঢেকে ফেলা হয়।

 

আপনি যদি ১০০০ ডলার খরচ করতে রাজি থাকেন তাহলে আপনি পাবেন ৫০ টুকরো ফ্রায়েড চিকেন। সাথে থাকবে পপ স্টার জেযি'র লেবেল লাগানো এক বোতল সোনালি শ্যাম্পেন।

 

জনাথান চেবান, তারা মুরগী ভাজাসহ।

কেমন খেতে এই সোনালী মুরগী?

 

ইউটিউবার কেসি নিস্টাট চেখে দেখেছেন। তিনি বলছেন, 'ফ্রায়েড চিকেনের স্বাদে কিছুটা টক ভাব রয়েছে এবং একটা ধাতব স্বাদ পাওয়া যায়।

"তার কো-হোস্ট শন্ বলছেন, তিনি কোনমতেই এই সোনায় ভাজা মুরগীর কথা ভাবতে পারছেন না। "চিকেন উইঙ্গস হচ্ছে সাধারণ মানুষের খাবার। তাই পুরো ধারণাটাই উদ্ভট," বলছেন তিনি।

কিন্তু আপনি যদি মনে করেন এই প্রথমবার ফাস্ট ফুড নিয়ে কেউ এমনটা করছেন তাহলে কিন্তু ভুল করবেন।

 

 

সোনালী ডোনাট

সোনালী ডোনাট

গত ২০১৬ সালে ব্রুকলিনের উইলিয়ামস্‌বার্গ এলাকায় একটি ফিলিপিনো রেস্টুরেন্ট সোনার ডোনাট বিক্রি শুরু করেছিল। নাম ছিল 'গোল্ডেন ক্রিস্টাল উবে ডোনাট"। এই ডোনাটের মধ্যে যে উবে মুস ঢোকানো হতো তা তৈরি হতো বেগুনি রঙের মিষ্টি আলু থেকে।

আর এর দাম? এক ডজন স্বর্ণময় ডোনাটের দাম ধরা হয়েছিল ১২০০ ডলার।

 

 

আইসক্রিম, দাম ১৫ ডলার।

 

সোনায় মোড়া আইসক্রিম

 

চলতি বছরের গোড়াতে একটি আমেরিকান আইসক্রিম কোম্পানি এমন এক আইসক্রিম বিক্রি শুরু করে যা মোড়া থাকতো ২৪-ক্যারেট নির্ভেজাল সোনার তবকে। ভারতীয় উপমহাদেশে বিলাসী পানে সোনা বা রুপোর তৈরি পাতলা পাতা বা তবক ব্যবহারের চল রয়েছে।

 

 

এই আইসক্রিমের দাম ধরা হয়েছিল ১৫ ডলার - ফ্রায়েড চিকেন কিংবা ডোনাটের তুলনায় যার দাম কম বলেই মনে হতে পারে। নিউ ইয়র্কের আরেকটি রেস্টুরেন্ট ২০০০ ডলার দামের এই পিৎসা বিক্রি শুরু করে। এই পিৎসার উপরে ২৪-ক্যারেট সোনার টপিংস ছড়ানো হয়েছিল।

 

 

দুহাজার ডলার দামের পিৎসা।

 

কিন্তু এই পিৎসার সোনালী টপিংসের নিচেও যেসব উপকরণ ব্যবহার করা হয় তা ছিল রাজকীয়। ব্রিটেন থেকে বিশেষভাবে আমদানি করা স্টিলটন চিজ, ফোয়া গ্রা এবং ব্ল্যাক ট্রাফল।

সে সময় এই রেস্টুরেন্টের মালিক ব্রলিও বনেই এক পত্রিকাকে বলেছিলেন, সে সময় একে বিলাসিতার চূড়ান্ত বলে মনে হলেও পিৎসা বলেই লোকে খাবারটি পছন্দ করেছিল।

 

 

বিবিসি বাংলা অবলম্বনে 


Top