বিএনপির ইফতার মঞ্চে উঠতে রব কাদের মান্নার না | daily-sun.com

বিএনপির ইফতার মঞ্চে উঠতে রব কাদের মান্নার না

ডেইলি সান অনলাইন     ২০ মে, ২০১৮ ১৫:০৪ টাprinter

বিএনপির ইফতার মঞ্চে উঠতে রব কাদের মান্নার না

 

রাজনীতিবিদদের সম্মানে বিএনপির ইফতার মাহফিলে যোগ দিলেও মঞ্চে ওঠেননি জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী এবং নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। শনিবার (১৯ মে) ঢাকা লেডিস ক্লাবে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।


বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের বাইরের রাজনৈতিক দলের মধ্যে ইফতারে প্রথমে উপস্থিত হন বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আব্দুর রব। পরে আসেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। এর পরে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী এবং সর্বশেষ বিকল্প ধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ইফতার মাহফিলে উপস্থিত হন।


ইফতারের আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আ স ম আব্দুর রব ও মান্নার টেবিলে গিয়ে তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় মির্জা ফখরুল তাদেরকে মঞ্চে আমন্ত্রণ জানালে তারা বলেন, ‘এখন নয়। ’ এ সময় রব ও মান্নার পাশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু ও সাংগঠনিক সস্পাদক শামা ওবায়েদসহ দলটির অন্য নেতারা বসে ছিলেন।


পরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর টেবিলে গিয়ে তার সঙ্গে কুশল বিনিময় করে তাকেও মঞ্চে আমন্ত্রণ জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি দুই হাত তুলে না বলেন এবং মৃদু হাসি দেন। এ সময় তার পাশে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমানসহ দলটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


তবে মঞ্চে ওঠেন বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্যও দেন। সেখানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে হতাশা ব্যক্ত করেন এবং দেশ রক্ষায় নতুন শক্তির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তার এই বক্তব্যে আর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি না করায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের নেতারা।


জোটের শরিক ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) সভাপতি খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা বলেন, বি. চৌধুরী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক মঞ্চে এসে অগণতান্ত্রিক শক্তি খুঁজেছেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেননি। তিনি তৃতীয় শক্তির কথা বলেছেন। তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন তাই তাকে ক্ষমা চাইতে বলিনি। আমরা তার বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানাই।


ন্যাপ মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া বলেন, বি. চৌধুরীর মতো একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ বিএনপির মঞ্চে এসে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাইবেন না, ভিন্ন শক্তি খুঁজবেন-আমরা এর প্রতিবাদ জানাই।


লিবারেল ডোমেক্রেটিক পার্টির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাৎ হোসেন সেলিম বি. চৌধুরীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, বি. চৌধুরীর মতো একজন রাজনীতিবিদ রাজনৈতিক মঞ্চে এসে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাইবে না। এটা হতে পারে না। তিনি দুই দলের সমালোচনা করে নতুন শক্তির কথা বলেছেন। তার বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য। এতে আমরা ক্ষুব্ধ।

 


Top