গুগল ম্যাপে দেখা গেল বরফের নিচে চাপা পড়া উড়োজাহাজের ছবি | daily-sun.com

গুগল ম্যাপে দেখা গেল বরফের নিচে চাপা পড়া উড়োজাহাজের ছবি

ডেইলি সান অনলাইন     ১৪ মে, ২০১৮ ১৭:৫৭ টাprinter

গুগল ম্যাপে দেখা গেল বরফের নিচে চাপা পড়া উড়োজাহাজের ছবি

সম্প্রতি গুগল ম্যাপের একটি ছবির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ছবিতে এন্টার্কটিকার উপকূলের কাছে বরফের নীচে চাপা থাকা একটি উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়।

আকারে বেশ বড় উড়োজাহাজটি যাত্রীবাহী বলেই স্পষ্ট বোঝা যায়। ফলে ছবিতে কাকতালীয়ভাবে ধরা পড়া সেই ধ্বংসাবশেষকে মালয়েশিয়ার নিখোঁজ ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ বলেই ধারণা অনেকের।

 

 

যুক্তরাজ্যের গ্রাহাম ম্যাপল নামের এক ব্যক্তি গুগল ম্যাপের ছবি পরীক্ষা করে বিমানের ধ্বংসাবশেষটি প্রথম দেখতে পান। দক্ষিণ মেরুতে এমন বিমান দুর্ঘটনার কোনো খবর কিংবা বিমান হারিয়ে যাওয়ার অতীত রেকর্ড না পাওয়ায় তিনি দাবি করেন সেটি মালয়েশিয়ার হারানো উড়োজাহাজ হতে পারে।

 

 

ভিডিওটি পকাশের পর পরই তা ভাইরাল হয়ে যায়। তবে সবাই যে গ্রাহামের দাবি মানতে পারেননি তা মন্তব্যের ঘরে উল্লেখও করেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে অবশ্য তার ধারণার বিস্তারিত জানিয়েছেন গ্রাহাম ম্যাপল। বলেছেন, উড়োজাহাজটির সন্ধানে কয়েকটি দেশ মিলে বিশাল এলাকায় তল্লাশি চালানো হলেও উত্তর কিংবা দক্ষিণ মেরুতে তা হয়নি। হওয়ার কথাও অবশ্য নয়!

ম্যাপল বলেন, তবে এন্টার্কটিকারর একটি অংশে গুগল ম্যাপের ছবিতে যে ধ্বংসাবশেষ দেখা যাচ্ছে তা মালয়েশিয়ার নিখোঁজ উড়োজাহাজ হলেও হতে পারে। যদি তাই হয়, তবে মালয়েশিয়ার ফ্লাইট এমএইচ৩৭০’কে ঘিরে রহস্য বাড়বে বৈ কমবে না!

 

 

সংবাদমাধ্যমকে অবশ্য এরপরই আসল বোমাটি ফাটিয়েছেন গ্রাহাম ম্যাপল। জানিয়েছেন, গুগল ম্যাপে যে ছবিতে উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখা গেছে তা ২০০৯ সালে তোলা হয়েছিল। আর ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ নিখোঁজ হয়েছিল ২০১৪ সালে।

 

ফলে যুক্তি বলছে, পুরনো সেই ছবির উড়োজাহাজটি এমএইচ৩৭০ কোনোভাবেই নয়! কিন্তু সেটি যদি কোনোভাবে সময় অতিক্রম করে অতীতে চলে যায়? আবার তিনি এটাও বলছেন, নির্জন ও দুর্গম স্থানটিতে হারানো সভ্যতার উন্নত পরিবহন ব্যবস্থার নিদর্শনও হতে পারে সেটি।

 

 

কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিং যাওয়ার সময় ২৩৯ আরোহী নিয়ে ভারত মহাসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে নিখোঁজ হয় ফ্লাইট এমএইচ৩৭০।

ম্যাপল দাবি করেন, সেই স্থানে অভিযান চালালে হয়তো সত্যটি বের হয়ে আসবে। তবে সেটি মালয়েশিয়ার হোক বা নাই হোক, উড়োজাহাজটি যে আধুনিক এ ব্যাপারে সন্দেহ নেই।

 

 

 

কেবিএ

 


Top