শপথ নিলেন মাহাথির, ১৫ বছর পর ফের প্রধানমন্ত্রী | daily-sun.com

শপথ নিলেন মাহাথির, ১৫ বছর পর ফের প্রধানমন্ত্রী

ডেইলি সান অনলাইন     ১১ মে, ২০১৮ ১২:২৮ টাprinter

শপথ নিলেন মাহাথির, ১৫ বছর পর ফের প্রধানমন্ত্রী

 

মালয়েশিয়ার ১৪তম সাধারণ নির্বাচনে অবিস্মরণীয় জয় পেয়ে দেশটির সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মাহাথির মোহাম্মদ। বৃহস্পতিবার (১০ মে) স্থানীয় সময় রাত ১০টার কিছু আগে কুয়ালালামপুরের ইস্তানা নেগারা রাজপ্রাসাদে তিনি শপথ নেন।

রাজা সুলতান মোহাম্মদ ভি তাকে শপথ পাঠ করান। খবর: রয়টার্স, বিবিসি ও আলজাজিরা।


এর ফলে ১৫ বছর পর আবার মালয়েশিয়ার কাণ্ডারি রূপে দায়িত্ব নিলেন ৯২ বছর বয়সী মাহাথির মোহাম্মদ।


রাজপ্রাসাদ থেকে তার শপথ অনুষ্ঠান টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। এ সময় মাহাথিরের পরনে দেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক ‘বাজু মালায়ু’ এবং মাথায় ‘সুরুং’ টুপি ছিল।


 যে বারিসান ন্যাশনাল জোটকে হারিয়ে তিনি এ নির্বাচনে জয়ী হলেন, এক সময় এই জোট থেকেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে ১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ২২ বছর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহাথির। 


গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের রাজনৈতিক জোট বারিসান ন্যাশনালকে (বিএন) মাহাথিরের নেতৃত্বাধীন জোট (পাকাতান হারাপান) হারিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। ২২২ আসনের মধ্যে পাকাতান হারাপান পার্লামেন্টের ১১৩টি আসনে জয়ী হয়েছে। আর বারিসান ন্যাশনাল জিতেছে ৭৯টি আসনে।


তবে বিজয়ের পর দেশটিতে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে সব আশঙ্কার অবসান ঘটিয়ে শেষ পর্যন্ত শপথ নিলেন মাহাথির মোহাম্মদ।


তার শপথের খবরে কুয়ালালামপুরে প্রাসাদের বাইরে উল্লাসে মেতে ওঠেন কর্মী-সমর্থকেরা। এ সময় তারা পতাকা উড়িয়ে ও গান গেয়ে উল্লাস করেন।


বিজয়ের পরপরই মালয়েশিয়ায় দু’দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার চিফ সেক্রেটারি আলী হামসা ১০ ও ১১ মে অর্থাৎ বৃহস্পতি ও শুক্রবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেন। ছুটি আইন-১৯৫১ এর ৮ ধারা অনুযায়ী এই সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে মাহাথির মোহাম্মদ বলেছেন, নির্বাচনে বিজয়ীদের কোনো ছুটি থাকবে না।


এই নির্বাচনের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় বারিসান ন্যাসিওনাল (বিএন) জোটের ৬১ বছরের শাসনের অবসান হয়েছে। ১৯৫৭ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে এ জোট একটানা দেশটির ক্ষমতায় ছিল।

 


Top