স্টিফেন হকিং কি সত্যিই এতদিন বেঁচে ছিলেন! | daily-sun.com

স্টিফেন হকিং কি সত্যিই এতদিন বেঁচে ছিলেন!

ডেইলি সান অনলাইন     ৯ মে, ২০১৮ ১৬:২১ টাprinter

স্টিফেন হকিং কি সত্যিই এতদিন বেঁচে ছিলেন!

চলতি বছরে অর্থাৎ ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ গণমাধ্যমের শিরোনাম হয় এক বেদনার সংবাদ। জানা যায়, ৭৬ বছর বয়সে মারা গেছেন একবিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং।

যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজে নিজ বাড়িতে তিনি মারা গেছেন বলে জানান তার সন্তানেরা।

 

 

অবশ্য এপ্রিলের গোড়াতে ক্যামব্রিজে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় ৫ শতাধিক মানুষ উপস্থিত হলেও বিশ্বের কোনো বিখ্যাত ব্যক্তি বা রাষ্ট্রপ্রধানদের সেখানে দেখা যায়নি। স্টিফেনের মরদেহ’ও সকলের দেখার সৌভাগ্য হয়নি। কিন্তু এযুগের আইনস্টাইনকে কেনো এমন নিরবে বিদায় নিতে হলো? কারও কারও মতে, এমন প্রশ্নের উত্তর অবান্তর!

 

অবশ্য বছরের গোড়াতেই স্টিফেন হকিং’র জীবিত থাকার বিষয়টি সারা পৃথিবীতে হইচই ফেলে দেয়। জানুয়ারিতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দি গার্ডিয়ানসহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশ পায়, যে স্টিফেন হকিং’কে আমরা দেখছি তিনি আসল নন।

দাবি করা হয়, মোটর নিউরন রোগে ক্ষণস্থায়ী জীবন তার ১৯৮৫ সালেই শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান্ও বলে স্টিফেন হকিং যে বিরল রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তা আসলে অত্যন্ত ভয়ঙ্কর।

 

 

শরীরে প্রথম রোগটি ধরা পড়ার পর ১৯৬৩ সালেই চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছিলেন তার আয়ু আছে মাত্র দু’বছর। যদিও প্রচণ্ড লড়াই চালিয়ে সেই ভবিষ্যত বাণীকে মিথ্যে প্রমাণ করেছিলেন এই বিজ্ঞানী। তাই বলে ৭৬ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকা? মোটর নিউরন বিশেষজ্ঞরা বিষয়টিকে কাকতালীয় বলা ছাড়া কোনো ভাষা খুঁজে পাননি।

 

 

অসাড় শরীর নিয়ে শুধুমাত্র সক্ষম মস্তিষ্ক দিয়েই বিশ্বের তো বটেই মহাবিশ্বের বিভিন্ন গোপন রহস্যের সমাধানসুত্র দেখিয়েছেন এই বিজ্ঞানী। হুইল চেয়ারে একটি মাত্র কার্যকর কনে আঙ্গুল দিয়ে তিনি যে ভাষা সৃষ্টি করতেন তা ছিল বিজ্ঞানী ও কৌতুহলী মহলের জন্য প্রবাদ বাক্য।

 

 

কিন্তু ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘ডেইলি মেইল’ বছরের গোড়াতেই এক প্রতিবেদনে জানায়, স্টিফেন হকিং’কে নিয়ে পৃথিবীবাসীর সঙ্গে প্রতারণা করছে একটি পক্ষ। এদের মধ্যে কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা এবং বিজ্ঞানী জড়িত। তারা আসলে চাননি হকিংয়ের মৃত্যুর সংবাদ প্রকাশ পেয়ে যাক।

 

 

বরং স্টিফেন হকিং’এর জনপ্রিয়তা এবং তার প্রতিটি কথার বিশ্বাসযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য পৃথিবীবাসীকে দিতে চেয়েছেন তারা। অপর শক্তিধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও অবশ্য এমন অনেক অভিযোগ রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম ‘চাঁদে পৃথিবীবাসীর প্রথম পা ফেলা’।

 

 

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, স্টিফেন হকিং ১৯৮৫ সালে মারা যাওয়ার পর তার জায়গায় একটি পুতুল স্থাপন করা হয়। গত তিন দশক ধরে সেই পুতুলকেই আসল হকিং বলে ভেবেছে বিশ্ব।আসল স্টিফেন হকিং’এর সঙ্গে নকল মানুষ কিংবা রোবটের প্রচুর পার্থক্য যে রয়েছে তা কেউ কেউ গবেষণাপত্রের মাধ্যমেও প্রমাণ করার চেষ্টাও করেন।  যুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে, ১৯৮২ সালের দিকে তার চেহারার সঙ্গে পরবর্তীতে প্রচুর অমিল লক্ষ্য করা গেছে। 

 

 

 সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটি দেখা দিয়েছিল তা হচ্ছে দিনে দিনে তার তরুণ হয়ে ওঠা। স্টিফেন হকিংএর বয়স যতো বেড়েছে, ততোই তার ত্বক যেন মসৃণ হতে থাকে। তার নীচের চোয়ালের দাঁতও যেন আগের থেকে লম্বা হয়ে গিয়েছিল!

 

 

বিখ্যাত এই বিজ্ঞানী নিজে কথা বলতে পারতেন না। বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে তিনি কথা বলতেন। দাবি করা হয়, এই কণ্ঠস্বর নাকি দূর থেকে কেউ নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োগ করতেন। এমনকি এই নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা’কেই প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়।

 

 

দাবিটি যখন বিশাল প্রশ্নের জন্ম দেয়, তার ঠিক দু’মাস পরই জানা যায় পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন স্টিফেন হকিং!

 

 

স্টিফেন হকিং মারা গেছেন ৩৩ বছর আগেই!

 

 

 


Top