বাড্ডায় আ.লীগের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে নিহত ১ | daily-sun.com

বাড্ডায় আ.লীগের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে নিহত ১

ডেইলি সান অনলাইন     ২৩ এপ্রিল, ২০১৮ ১২:০৭ টাprinter

বাড্ডায় আ.লীগের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে নিহত ১

 

রাজধানীর ভাটারা থানার বেরাইদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে কামরুজ্জামান দুখু নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ১০ জন।

রবিবার (২২ এপ্রিল) বিকাল ৫টার দিকে বেরাইদ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াজেদ আলী।


তিনি জানান, নিহত কামরুজ্জামান দুখু ভাটারা থানার বেরাইদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের চাচাতো ভাই।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বেরাইদ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের গ্রুপের সঙ্গে সরকারদলীয় স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম রহমতুল্লাহর ভাগ্নে ফারুক গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরেই রেষারেষি চলছিল। এরই জের ধরে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় জাহাঙ্গীর গ্রুপের কামরুজ্জামান দুখু নামের একজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে অ্যাপলো হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এঘটনায় আহত হন আরো ১০ জন।


জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বেরাইদ এলাকা সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত হওয়ার পর আমি কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনা করি। তাই নির্বাচন স্থগিত চেয়ে উচ্চ আদালতে মামলা করেছিলাম। মামলার রায় আমার পক্ষে হওয়ায় এমপি রহমতউল্লাহ আমার উপর ক্ষিপ্ত হন।


তিনি বলেন, এমপি রহমতউল্লাহর সমর্থকরা অনেক দিন ধরেই আমাদের হুমকি দিয়ে আসছিল। এ বিষয়ে আমরা বাড্ডা থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছিলাম। ওই ঘটনার জের ধরেই এমপির ভাগ্নে ফারুকের নেতৃত্বে ৫০/৬০ জন সন্ত্রাসী আমার ভাইয়ের ওপর হামলা চালায়। তারা গুলি করে আমার ভাইকে হত্যা করে।


অভিযোগ অস্বীকার করে এমপি রহমতউল্লাহ বলেন, আমরা কেন ঝামেলা করতে যাব? কারা ঝামেলা করেছে, গুলি করেছে তা পুলিশ বলতে পারবে। থানার ওসি ফোন করেছিল। তার কাছেই আমি গোলাগুলির বিষয়টি জানতে পারি। আমরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত না।


ওসি ওয়াজেদ আলী জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয়।


তিনি বলেন, বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি শান্ত আছে, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আহতদের ইউনাইটেড ও অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 


Top