মালয়েশিয়ায় মোসাদের গুলিতে ফিলিস্তিনি বিজ্ঞানী খুনের অভিযোগ | daily-sun.com

মালয়েশিয়ায় মোসাদের গুলিতে ফিলিস্তিনি বিজ্ঞানী খুনের অভিযোগ

ডেইলি সান অনলাইন     ২১ এপ্রিল, ২০১৮ ২২:১৩ টাprinter

মালয়েশিয়ায় মোসাদের গুলিতে ফিলিস্তিনি বিজ্ঞানী খুনের অভিযোগ

 

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বসবাসরত ফাদি আল বাচ নামের ফিলিস্তিনের তরুণ এক বিজ্ঞানীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের বিরুদ্ধে। শনিবার (২১ এপ্রিল) মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে মসজিদে ফজরের নামাজ আদায়ে বাসা থেকে বের হলে ৩৫ বছর বয়সী ফাদি আল-বাচকে গুলি করে হত্যা করে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের দুই গুপ্তঘাতক।

খবর আলজাজিরার।


নিহত ওই বিজ্ঞানী ফিলিস্তিনের এনার্জি সেক্টরের উন্নয়নে কাজ করছিলেন।

 
তার মাথায় এবং শরীরে অন্যান্য অংশে ১০টি গুলি করা হয় বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়া পুলিশ।


ফাদিকে হত্যার জন্য ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদকে দায়ী করেছেন তার বাবা। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।


মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমাদ জাহিদ হামিদিকে উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বেরনামা জানায়, সন্দেহভাজন ঘাতকরা ইউরোপিয়ান বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের সঙ্গে বিদেশি একটি গোয়েন্দা সংস্থার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।


প্রসঙ্গত, ফিলিস্তিনি নেতা, বিজ্ঞানী এবং শিক্ষাবিদদের হত্যায় দুনিয়াজোড়া কুখ্যাতি রয়েছে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের। সম্প্রতি ফিলিস্তিনের ড্রোন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত এক বিজ্ঞানীকে তিউনিসিয়ায় হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।


পুলিশ প্রধান দাতুক সেরি মনসুর লাজিম বলেন, সেতাপাক জেলায় ফাদির বাসার সমানে দুই অস্ত্রধারী প্রায় ২০ মিনিট অপেক্ষা করছিল। বাসা থেকে বের হওয়ার পর ফাদিকে লক্ষ্য ১০টি গুলি করা হয়। চারটি গুলিতেই তাৎক্ষণিক তার মৃত্যু হয়।


ফাদি ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠন হামাসের সদস্য ছিলেন বলে আলজাজিরাকে নিশ্চিত করেছেন সংগঠনটির মুখপাত্র হাজেম কাসেম।


এছাড়া এক টুইট বার্তায় বলা হয়, গাজা উপত্যকার জাবালিয়ার তরুণ ফিলিস্তিনি পণ্ডিত ছিলেন ফাদি। তাকে শহীদ আখ্যা দিয়ে বলা হয়, এনার্জি সেক্টরের উন্নয়নে খ্যাতিমান এই বিজ্ঞানী ব্যাপক অবদান রাখছিলেন।


মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত আনোয়ার এইচ আল আগা বলেছেন, গত ১০ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছিলেন ফাদি। যে মসজিদে নামাজ পড়তে যাচ্ছিলেন, সেই মসজিদের দ্বিতীয় ইমাম তিনি।


তিনি আরো জানান, এক সেমিনারে যোগ দিতে শনিবারই ফাদির তুরস্কে যাওয়ার কথা ছিল। তিনি তিন সন্তানের জনক।

 


Top