‘আমি নই, দুই সন্তানের গায়ে আগুন দেয় মোমেন’ | daily-sun.com

‘আমি নই, দুই সন্তানের গায়ে আগুন দেয় মোমেন’

ডেইলি সান অনলাইন     ১৫ এপ্রিল, ২০১৮ ১৮:২৯ টাprinter

‘আমি নই, দুই সন্তানের গায়ে আগুন দেয় মোমেন’

 

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় পরকীয়া জেনে ফেলায় নিজ সন্তানের গায়ে আগুন দিয়ে হত্যার ঘটনায় জবানবন্দি দিয়েছেন মা শেফালী বেগম (৩৩)। জবানবন্দিতে শেফালী বলেন, সন্তানদের গায়ে তিনি আগুন দেননি।

আগুন দিয়েছেন তার পরকীয়া প্রেমিক মোমেন। শনিবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত শেফালীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কাশেম


তিনি জানান, শেফালীকে ওষুধ খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে পরে তার দুই সন্তানের গায়ে আগুন দেন পার্শ্ববর্তী বাড়ির মোমেন। এসময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে হৃদয় (৯) মারা যায়। আশপাশের লোকজন আরেক সন্তান শিহাবকে (৭) উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।


এদের মধ্যে হৃদয় ৩৫নং বাড়ৈপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। আর দগ্ধ তার ছোট ভাই জিহাদ হোসেন শিহাব (৭) একই স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র। তাদের বাবার নাম আনোয়ার হোসেন। তিনি লিবিয়া প্রবাসী।


এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মোমেন ও শেফালীর একাধিক ছবি ভাইরাল হয়ে উঠেছে। এতে দেখা গেছে দুজনের ঘনিষ্ঠ সময়ের একাধিক ছবি।


এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১১ বছর আগে বাড়ৈপাড়ার বিল্লাল হোসেনের ছেলে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে কেরানীগঞ্জের সুন্দর আলীর মেয়ে শেফালীর বিয়ে হয়। পরে তাদের দুই ছেলের জন্ম হয়। আনোয়ার বিদেশে থাকার সময় পার্শ্ববর্তী মোমেনের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন শেফালী।


এ নিয়ে তিন মাস আগে এলাকায় কয়েকবার সালিশি বৈঠকও হয়। তখন সিদ্ধান্ত হয় শেফালী বাবার বাড়িতে চলে যাবেন। কিন্তু শেফালী বিষয়টি না মেনে শ্বশুর বাড়িতেই থাকছিলেন। এসব নিয়ে শ্বশুর বাড়ির লোকজন ও স্বামীর সঙ্গে শেফালীর মনোমালিন্য দেখা দেয়।  

 


Top