স্বপদে পুনর্বহাল ইশা | daily-sun.com

স্বপদে পুনর্বহাল ইশা

ডেইলি সান অনলাইন     ১৩ এপ্রিল, ২০১৮ ১২:১৫ টাprinter

স্বপদে পুনর্বহাল ইশা

 

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসসহ (বিসিএস) সব সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি সংস্কার আন্দোলনে জড়িত থাকার অভিযোগে এক ছাত্রীর পায়ের রগ কেটে দেওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কবি সুফিয়া কামাল হল ছাত্রলীগের সভাপতি ইশরাত জাহান ইশাকে নির্দোষ বলে ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সেইসঙ্গে তাকে স্বপদে পুনর্বহাল করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।


বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, ইশরাত জাহান ইশা (সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কবি সুফিয়া কামাল হল শাখা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুসারে সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় তার ওপর আরোপিত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে স্বপদে পুনর্বহাল করা হলো।  


এর আগে মঙ্গলবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় হলের ছাত্রীরা কোটা সংস্কার আন্দোলনে যোগ দিতে গেলে ইশার নেতৃত্বে ছাত্রলীগ কর্মীরা তাদেরকে বাধা দেয়। পরে আন্দোলন থেকে ফিরে আসলে তাদেরকে গেস্টরুমে ডেকে নিয়ে মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়। এক পর্যায়ে ইশা নিজ হাতে মোরশেদা বেগম নামের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রী মোর্শেদার পায়ের রগ কেটে দেন বলে অভিযোগ করেন হলের ছাত্রীরা। রক্তে ভেজা স্যান্ডেল, হলের সিঁড়ি ও মেঝেতে রক্তের ফোঁটা পড়ে থাকার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সে সময়।

 


ওই অভিযোগ ওঠার পর হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের তুমুল বিক্ষোভের মুখে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় ও সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।  


ওই দিন দিবাগত রাতে ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে জানানো হয়, ইশাকে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে।   


এর আগে তাকে হল থেকে বহিষ্কার করে হল প্রশাসন।

 


এদিকে ইশার পক্ষে যারা, তারা বলছেন, মোর্শেদার পা কেউ কাটেনি, বরং এশার কক্ষের জানালার কাচে লাথি মারতে গিয়ে তার পা কেটে যায়।


এসব অভিযোগ পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে ইশার পাশে দাঁড়ান ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতা। তারা ইশার এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে তার গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দিয়ে আসেন।


ছাত্রলীগের সাবেক যে নেতারা ইশার পাশে দাঁড়িয়েছেন তাদের দাবি ছিল ইশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাকে সসম্মানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে।

 


Top