বিড়ি শিল্পকে কুটির শিল্প ঘোষণার দাবি | daily-sun.com

বিড়ি শিল্পকে কুটির শিল্প ঘোষণার দাবি

ডেইলি সান অনলাইন     ৮ এপ্রিল, ২০১৮ ২০:৫৪ টাprinter

বিড়ি শিল্পকে কুটির শিল্প ঘোষণার দাবি

বিড়ি শিল্প দেশের সবচেয়ে প্রাচীন শিল্প, হাজার বছর ধরে এ শিল্প চলে এসেছে। এ শিল্পে কাজ করে ২০ লাখ মানুষের জীবন চলে।

তাই বিড়ি শিল্পকে ‘কুটির শিল্প’ হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন।

 

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক সমাবেশে সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা এ দাবি জানান। ‘শুল্কনীতির বৈষম্যে বিড়ি শ্রমিক এবং বিড়ি শিল্প’শীর্ষক সমাবেশটি যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন এবং গবেষণা ও উন্নয়ন কালেকটিভ।

 

ফেডারেশনের নেতারা বলেন, বিড়ি শিল্প উপমহাদেশের একটি আদি ও পুরাতন শিল্প যা শতভাগ দেশীয় প্রযুক্তি নির্ভর। এর মাধ্যমে লাখ লাখ বেকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এই শিল্পের মাধ্যমে এই উপমহাদেশে অসংখ্য শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।

 

বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন সভাপতি আমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশাহ বলেন, অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে আমি দুর্নীতির গন্ধ পাচ্ছি, কারণ বার বার তিনি বিএটিবি কে সুযোগ দিচ্ছেন। এক আগে প্রধানমন্ত্রী যে প্রস্তাব বাতিল করেছেন সেটি একই সংসদে এক বছরের মাথায় আবার ফিরিয়ে এনেছেন, এর সঙ্গে দুর্নীতির সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বিড়িকে দেবেন তিন বছর আর সিগারেটকে দিবেন ২২ বছর তা মেনে নেয়া হবে না।

বিড়ি শিল্প রক্ষায় তিনি সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলার আহবান জানান।

 

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নাসির বিড়ি, রশিদা বিড়ি, বিউটি বিড়ি, কারিকর বিড়ি, আনছার বিড়ি, বেঙ্গল বিড়ি, আবুল বিড়ি, আকিজ বিড়ি সহ বিভিন্ন বিড়ি কোম্পানির প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক এই মহাসমাবেশে অংশ নেন।  

 

সমাবেশে বিড়ি শিল্পকে কুটির শিল্প ঘোষণা করে নিম্নতম মজুরি ১০০ টাকা করার দাবি জানিয়েছে বিড়ি শ্রমিকেরা। সেইসঙ্গে বিড়ি শিল্প তিন বছরের মধ্যে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত বাতিল করে সিগারেট শিল্পের ন্যায় আগামী ২০ বছরের প্রকল্পের আওতায় আনার দাবি সমাবেশে তোলা হয়।  

 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার দফায় দফায় শুল্ক বাড়িয়ে বিড়ি শিল্প বন্ধ করারা পায়তারা করছে অথচ কোন সরকারি কর্মকর্তা কখনো কোনদিন বিড়ি শ্রমিকের কাছে যায় নি। তারা কত কষ্ট করে দিনযাপন করে সে খোঁজ কেউ নেয়নি। আমরা তো আর কোন কাজ জানি না। কিন্তু বিড়ি শিল্প বন্ধ করা হলে এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত ৫০ লাখ মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।


Top