ধর্ষণের পর বিউটিকে হত্যা: প্রধান আসামি বাবুল ৫ দিনের রিমান্ডে | daily-sun.com

ধর্ষণের পর বিউটিকে হত্যা: প্রধান আসামি বাবুল ৫ দিনের রিমান্ডে

ডেইলি সান অনলাইন     ২ এপ্রিল, ২০১৮ ১৬:৩৪ টাprinter

ধর্ষণের পর বিউটিকে হত্যা: প্রধান আসামি বাবুল ৫ দিনের রিমান্ডে

 

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে কিশোরী বিউটি আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুল মিয়াকে (২৯) ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। রবিবার (১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টায় হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসমা বেগম এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

 
আদালত পরিদর্শক অহিদুর রহমান জানান, বাবুলের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান শায়েস্তাগঞ্জের ওসি ও এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মানিকুল ইসলাম। শুনানি শেষে বিচারক ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


এর আগে দুপুরে পুলিশ সুপারের সভাকক্ষে এক ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা জানান, ধর্ষণের পর বিউটি হত্যার প্রধান আসামি বাবুলকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে করে জড়িতদের ব্যাপারে জানা যাবে বলে জানান তিনি।


এর আগে ৩১ মার্চ ভোরে র‌্যাব ৯ ও পুলিশের একটি যৌথ দল সিলেটের বিয়ানিবাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করে।  

 


গত ২১ জানুয়ারি শায়েস্তাগঞ্জের ব্রাহ্মণডোরা গ্রামের দিনমজুর সায়েদ আলীর মেয়ে বিউটি আক্তারকে (১৪) বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বাবুল মিয়া ও তার সহযোগীরা। এক মাস তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এক মাস নির্যাতনের পর বিউটিকে কৌশলে তার বাড়িতে রেখে পালিয়ে যায় বাবুল। এ ঘটনায় গত ১ মার্চ বিউটির বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে বাবুল ও তার মা স্থানীয় ইউপি মেম্বার কলমচানের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

পরে মেয়েকে সায়েদ আলী তার নানার বাড়িতে লুকিয়ে রাখেন। এরপর বাবুল ক্ষিপ্ত হয়ে ১৬ মার্চ বিউটি আক্তারকে উপজেলার গুনিপুর গ্রামের তার নানার বাড়ি থেকে রাতের আঁধারে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। ফের ধর্ষণের পর তাকে খুন করে লাশ হাওরে ফেলে দেয়। বিষয়টি জানাজানি হলে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।


বিউটিকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে ১৭ মার্চ তার বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে বাবুল মিয়াসহ দুজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর ২১ মার্চ পুলিশ বাবুলের মা কলমচান ও সন্দেহভাজন হিসেবে একই গ্রামের ঈসমাইলকে আটক করে।  


এদিকে এই ঘটনা তদন্তে গত ২৯ মার্চ হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আ স ম শামছুর রহমান ভূইয়াকে প্রধান করে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা ও সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম।

 


Top