পাইলট আবিদের স্ত্রীর স্ট্রোক, নিউরো সায়েন্সের আইসিইউ'তে ভর্তি | daily-sun.com

পাইলট আবিদের স্ত্রীর স্ট্রোক, নিউরো সায়েন্সের আইসিইউ'তে ভর্তি

ডেইলি সান অনলাইন     ১৮ মার্চ, ২০১৮ ১৭:৫৪ টাprinter

পাইলট আবিদের স্ত্রীর স্ট্রোক, নিউরো সায়েন্সের আইসিইউ'তে ভর্তি

- পাইলট আবিদ সুলতানের সঙ্গে আফসানা খানম

 

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (টিআইএ) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান বিএস২১১ বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত পাইলট আবিদ সুলতানের স্ত্রী আফসানা খানম স্ট্রোক করে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। রবিবার (১৮ মার্চ) সকালে রাজধানীর উত্তরার বাসায় স্ট্রোক করার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে আগারগাঁওয়ের নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে নিয়ে যান।

সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহত আবিদ সুলতানের স্ত্রী আফসানা খানমের হার্টে একাধিক ব্লক ধরা পড়েছে। তাকে ক্যাপ্টেন আবিদের আপন বড় ভাই নিউরো বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।


সূত্রটি আরো জানায়, হাসপাতালে আনার পর তার অবস্থা আগের থেকে উন্নতি হলেও তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। 


উল্লেখ্য, সোমবার (১২ মার্চ) স্থানীয় সময় বেলা ২টা ১৮ মিনিটে নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ ৮ কিউ৪০০ মডেলের এস২-এজিইউ যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলট, ক্রু ও যাত্রীসহ ৫২ জন নিহত হন। ইউএস বাংলার ওই বিমানটিতে মোট ৬৭জন যাত্রী  চার ক্রুসহ ৭১জন আরোহী ছিলেন। আরোহীর মধ্যে ৩৬ জন বাংলাদেশির মধ্যে ২৬ জন নিহত হন। এ ছাড়া ১০ বাংলাদেশিসহ ১৯ জন আহত হন। পরে হতাহতের উদ্ধার করে স্থানীয় কেএমসি হাসপাতাল, নরভিক হাসপাতাল ও ওম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আহতদের চিকিৎসা দেয়া হয়।


বিমানটিতে ৬৭ যাত্রীর মধ্যে বাংলাদেশি ৩২ জন, নেপালি ৩৩ জন, একজন মালদ্বীপের ও একজন চীনের নাগরিক ছিলেন। তাদের মধ্যে পুরুষ যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৩৭, নারী ২৮ ও দু’জন শিশু ছিল।


বিমানটি বিধ্বস্তের পরদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পাইলট আবিদ সুলতান। জানা গেছে, পরপর চারটি ল্যান্ডিংয়ের পরেও তাকে নেপালে ওই ফ্লাইট নিয়ে যেতে হয়েছিল। এ নিয়ে মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগেই ক্যাপ্টেন আবিদ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ছাড়ার জন্য তোড়জোড় করেছিলেন।

 


Top