বিমান বিধ্বস্তে নিহত ২২ জনের মরদেহ শনাক্ত | daily-sun.com

বিমান বিধ্বস্তে নিহত ২২ জনের মরদেহ শনাক্ত

ডেইলি সান অনলাইন     ১৭ মার্চ, ২০১৮ ১৭:০০ টাprinter

বিমান বিধ্বস্তে নিহত ২২ জনের মরদেহ শনাক্ত

 

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (টিআইএ) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান বিএস২১১ বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ২২ জনের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশিও রয়েছেন।

তবে তার সংখ্যা এখনও জানানো হয়নি।  


ত্রিভুবন ইউনিভার্সিটি (টিইউ) টিচিং হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. রিজেন শ্রেষ্ঠের বরাত দিয়ে নেপাল প্রবাসী আশিক কাঞ্চন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  


তিনি জানান, এ পর্যন্ত ২২টি মরদেহ শনাক্ত হয়েছে। এখনও যাদের মরদেহ শনাক্ত করা যায়নি তাদের ডিএনএ পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শনাক্ত করতে হবে। এ বিষয়ে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করবেন ডা. রিজেন শ্রেষ্ঠ।


এর আগে গতকাল শুক্রবার (১৬ মার্চ) দুপুরে নেপালের ত্রিভুবন ইউনিভার্সিটি (টিইউ) টিচিং হাসপাতালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে নেপালে যাওয়া চিকিৎসকদের প্রতিনিধি দলের সদস্য ডা. সোহেল মাহমুদ জানান, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ৪৯ জনের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে মাত্র আটজনের মরদেহ শনাক্ত করা গেছে। সোম অথবা মঙ্গলবার থেকে সেগুলো দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হবে।


উল্লেখ্য, সোমবার (১২ মার্চ) স্থানীয় সময় বেলা ২টা ১৮ মিনিটে নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ ৮ কিউ৪০০ মডেলের এস২-এজিইউ যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলট, ক্রু ও যাত্রীসহ ৫২ জন নিহত হন।

ইউএস বাংলার ওই বিমানটিতে মোট ৬৭জন যাত্রী  চার ক্রুসহ ৭১জন আরোহী ছিলেন। আরোহীর মধ্যে ৩৬ জন বাংলাদেশির মধ্যে ২৬ জন নিহত হন। এ ছাড়া ১০ বাংলাদেশিসহ ১৯ জন আহত হন। পরে হতাহতের উদ্ধার করে স্থানীয় কেএমসি হাসপাতাল, নরভিক হাসপাতাল ও ওম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আহতদের চিকিৎসা দেয়া হয়।


পরে আহত ১০ বাংলাদেশির মধ্যে ছয় জন নেপালের হাসপাতাল ছেড়েছেন। তাদের মধ্যে রেজওয়ানুলকে কাঠমান্ডুর ওএম হাসপাতাল থেকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়েছে। ইয়াকুব আলী নামে আহত এক যাত্রীকে কাঠমান্ডু থেকে দিল্লীতে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। শেহরিন আহমেদ, মেহেদী, স্বর্ণা ও এ্যানিকে কাঠমান্ডুর কেএমসি থেকে এনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

 


Top