ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, মঙ্গলবার মরদেহ হস্তান্তর | daily-sun.com

ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, মঙ্গলবার মরদেহ হস্তান্তর

ডেইলি সান অনলাইন     ১৭ মার্চ, ২০১৮ ১১:০৬ টাprinter

ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, মঙ্গলবার মরদেহ হস্তান্তর

 

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (টিআইএ) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান বিএস২১১ বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ৪৯ জনের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (১৮ মার্চ) থেকে মরদেহগুলো শনাক্তের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

সোম ও মঙ্গলবার থেকে সেগুলো দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হবে। শুক্রবার (১৬ মার্চ) দুপুরে নেপালের ত্রিভুবন ইউনিভার্সিটি (টিইউ) টিচিং হাসপাতালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ থেকে নেপালে যাওয়া চিকিৎসকদের প্রতিনিধি দলের সদস্য ডা. সোহেল মাহমুদ।


এদিকে নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস জানান, খালি চোখে দেখে শনাক্ত হওয়া বাংলাদেশির লাশগুলো মঙ্গলবারের মধ্যে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় দেশে পাঠানো হবে। তিনি বলেন, নিহতদের আত্মীয়-স্বজনেরা চান সবার মৃতদেহ একসঙ্গে পাঠানো হোক। সে জন্য সবার লাশ একসঙ্গে পাঠানোর চেষ্টা হচ্ছে।


নেপালে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে মাত্র আটজনের মরদেহ শনাক্ত করা গেছে।


সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সোহেল আহমেদ বলেন, যেসব মৃতদেহ দেখে শনাক্ত করা সম্ভব হবে না সেগুলোর ডিএনএ প্রোফাইলিং করা হবে। প্রোফাইলিংয়ের জন্য এসব মৃতদেহের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ।


রবিবার ঢাকার সিআইডির ডিএনএ ল্যাবে গিয়ে নিহতদের আত্মীয়-স্বজনদের যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।


উল্লেখ্য, সোমবার (১২ মার্চ) স্থানীয় সময় বেলা ২টা ১৮ মিনিটে নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ ৮ কিউ৪০০ মডেলের এস২-এজিইউ যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলট, ক্রু ও যাত্রীসহ ৫২ জন নিহত হন। ইউএস বাংলার ওই বিমানটিতে মোট ৬৭জন যাত্রী  চার ক্রুসহ ৭১জন আরোহী ছিলেন। আরোহীর মধ্যে ৩৬ জন বাংলাদেশির মধ্যে ২৬ জন নিহত হন। এ ছাড়া ১০ বাংলাদেশিসহ ১৯ জন আহত হন। পরে হতাহতের উদ্ধার করে স্থানীয় কেএমসি হাসপাতাল, নরভিক হাসপাতাল ও ওম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আহতদের চিকিৎসা দেয়া হয়।


পরে আহত ১০ বাংলাদেশির মধ্যে ছয় জন নেপালের হাসপাতাল ছেড়েছেন। তাদের মধ্যে রেজওয়ানুলকে কাঠমান্ডুর ওএম হাসপাতাল থেকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়েছে। ইয়াকুব আলী নামে আহত এক যাত্রীকে কাঠমান্ডু থেকে দিল্লীতে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। শেহরিন আহমেদ, মেহেদী, স্বর্ণা ও এ্যানিকে কাঠমান্ডুর কেএমসি থেকে এনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

 


Top