ফোরজি দুনিয়ায় প্রবেশ করছে বাংলাদেশ | daily-sun.com

ফোরজি দুনিয়ায় প্রবেশ করছে বাংলাদেশ

ডেইলি সান অনলাইন     ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ১৫:৪৪ টাprinter

ফোরজি দুনিয়ায় প্রবেশ করছে বাংলাদেশ

চতুর্থ প্রজন্মের তারবিহীন টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি বা ফোরজি চালু এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। আজ সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) টেলিকম অপারেটরদের কাছে ফোরজি লাইসেন্স হস্তান্তর করবে।

৪জি/এলটিই হস্তান্তরের পরে আজ সোমবার থেকে মোবাইল ফোন গ্রাহকরা দ্রুততম তথ্য পরিষেবা সুবিধা গ্রহণে সক্ষম হবেন।

 

ইতোমধ্যে অপারেটররা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। তবে সবচেয়ে এগিয়ে সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন। লাইসেন্স প্রাপ্তির ১৫ মিনিটের মধ্যে ফোরজি চালু করার ঘোষণা দিয়ে রেখেছে তারা। কর্মকর্তারা জানান, লাইসেন্স পাওয়ার পরপরই বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণ ফোন, রবি এবং বাংলালিংক এই সেবা চালু করছে।

 

তবে ফোরজি চালু হলেও তার সুবিধা গ্রাহকরা পেতে কিছুটা সময় লাগবে বৈকি। গ্রাহকদের হাতে নেই পর্যাপ্ত ফোরজি নেটওয়ার্ক সমর্থিত হ্যান্ডসেট। আবার থ্রি জি সিম পাল্টে নতুন সিম নিতে হবে। অপারেটরগুলো বেশ কিছু দিন ধরেই সিম পাল্টে নেয়ার বিজ্ঞাপন প্রচার করলেও এ ক্ষেত্রে খুব বেশি অগ্রগতি নেই।

 

প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, ফোরজি প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা গেলে তা দেশের তথ্যপ্রযুক্তিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যায় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ৪জি/এলটিই লাইসেন্স হস্তান্তর করবেন।

 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যতো দ্রুত সম্ভব এই সেবা চালু করতে অপারেটররা প্রস্তুত রয়েছে। এর আগে বিটিআরসি গ্রামীণ ফোন, রবি, বাংলালিংক এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিটককে ৪জি/এলটিই লাইসেন্সের জন্য যোগ্য বিবেচিত করে।

 

অপারেটরদের দীর্ঘদিনের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিটিআরসি ১৩ ফেব্রুয়ারি নিলামের আয়োজন করে এবং প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা বজায় রেখেই তাদের স্পেকটার্ম টেকনোলজি সরবরাহ করা হয়। গ্রামীণ ফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাইকেল ফলি বলেন, আমরা যখন লাইসেন্স হাতে পাবো তখনই আমাদের ৪জি যাত্রা শুরু হবে এবং আমাদের গ্রাহকের জন্যও এটি তাৎপর্যপূর্ণ অভিযাত্রা।

 

অপর অপারেটর বাংলা লিংক এক বিবৃতিতে বলেছে, লাইসেন্স পাওয়ার পরপরই তারা তাদের গ্রাহকদের জন্য ৪জি সেবা চালুর জন্য প্রস্তুত রয়েছে। ফোরজির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো দ্রুতগতির ইন্টারনেট। ফলে এটি চালু হলে ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন সার্ভিস ব্যবহার করা যাবে সহজে। ফ্রিল্যান্সিংসহ অন্যান্য ইন্টারনেটভিত্তিক পেশার সঙ্গে জড়িতদের জন্যও ফোরজি হতে পারে আশীর্বাদ স্বরূপ। দেশের প্রতিটি প্রান্তে ফোরজি পৌঁছে গেলে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ ফ্রিল্যান্সিংকে পেশা হিসেবে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

 

 


Top