প্রেমে পড়েছেন ভুতু-পটলের মা! | daily-sun.com

প্রেমে পড়েছেন ভুতু-পটলের মা!

ডেইলি সান অনলাইন     ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ১৬:১৫ টাprinter

প্রেমে পড়েছেন ভুতু-পটলের মা!

টেলিজগতে পা রেখেছিলেন সহকারী পরিচালক হিসেবে, সেই ২০১১-তে। কিন্তু এখন তিনি পুরোপুরি মনোনিবেশ করছেন অভিনয়ে।

‘ভুতু’ ও ‘পটলকুমার গানওয়ালা’-য় স্নেহময়ী মায়ের চরিত্র থেকে ‘তবু মনে রেখো’-র খল-চরিত্র অথবা ‘কাজললতা’-র  পিয়া।  বিভিন্ন মেজাজের চরিত্রেই দর্শক তাঁকে দেখেছেন। এই মুহূর্তে আকাশ ৮-এর ৬ মাসের মেগা ‘বৃদ্ধাশ্রম’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন।

 

 

অভিনেত্রী হিসেবে অনিন্দিতার কেরিয়ার যখন একটু একটু করে মজবুত হচ্ছে, ঠিক তখনই ব্যাপারটা ঘটে। এক বছরেরও একটু বেশি হবে, ‘তবু মনে রেখো’-র সেটে পর্ব পরিচালক সিদ্ধান্ত দাসের মুখোমুখি হন অনিন্দিতা।  ‘‘আমি আর ভিক্টো দু’জন দু’জনকে চিনতাম বহু বছর আগে থেকে।  প্রথম যখন আমি শুনি যে ও জয়েন করছে, আমার রিঅ্যাকশন ছিল...উফ্‌ফ কেনো? আমি আসলে খুব জোরে কথা বলি এমনিতে। সেটের মধ্যে আমাকে ওইভাবে কথা বলতে দেখে প্রথম প্রথম ভিক্টোর রিঅ্যাকশনও ছিল প্রায় ওইরকমই,’’ জানালেন অনিন্দিতা।  

 

 

অভিনেত্রী ও পরিচালকের এই পারস্পরিক বিদ্বেষ যেন ম্যাজিকের মতো উবে গেল এক সপ্তাহের মধ্যেই।

পেশাগত বন্ধুত্ব বদলে গেল প্রেমে। অনেকটা ঠিক সিনেমার মতোই। তেমনটাই ধরা পড়ল অনিন্দিতার কথায়— ‘‘আমাদের সম্পর্কটা এইভাবে শুরু হয়েছিল যে একসঙ্গে চলতে শুরু করি, তার  পরে দেখা যাক কোথায় পৌঁছই। প্রায় এক বছর হতে চলল আমরা একসঙ্গে আছি এবং আমি তো বলব খুব সুখে আছি। আসলে ও আর আমি দু’জন দু’জনের পরিপূরক বলা যায়। হি ওয়ান্টস টু ফ্লাই অলওয়েজ অ্যান্ড আই ওয়ান্ট টু স্টে অ্যাট হোম অলওয়েজ। ও জানে যে কখন আমাকে বলবে যে লেটস ফ্লাই আর আমি জানি কখন ওকে বলতে হবে যে নাউ উই শ্যুড স্টপ। এভাবেই আমরা পরস্পরকে রিডিরেক্ট করি। আমার মনে হয় সেটাই আমাদের বন্ডিংয়ের সবচেয়ে সুন্দর দিক। ’’ 

 

 

একই পেশায় সম্পর্ক তৈরি হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। বিশেষ করে অভিনেত্রী ও পরিচালকের মধ্যে পেশাগত আদানপ্রদান থেকে যে কেমিস্ট্রি তৈরি হয়, তা ব্যক্তিগত সম্পর্কের দিকে মোড় নেওয়ার সম্ভাবনা বেশ প্রবল থাকে। কিন্তু সেই সম্পর্কের ভিত মজবুত করাটাই সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং। অনিন্দিতা ও সিদ্ধান্ত সেই কাজটি সেরে ফেলেছেন বেশ দ্রুততার সঙ্গে।  

 

এবছর প্রথম ভ্যালেন্টাইনস ডে কাটালেন দু’জনে, কাজের ব্যস্ততার মধ্যেই। প্রেমদিবস পালনের জন্য পেশাগত জায়গায় কোনও রকম গাফিলতি পছন্দ নয় কারোরই। বরং দু’জনেই একসঙ্গে সময় পেলে দুম করে কোথাও বেড়িয়ে পড়তে ভালবাসেন। ‘‘আমরা দু’জনেই খুব বেড়াতে ভালবাসি। তিন-চার ঘণ্টার নোটিসেই বেরিয়ে পড়তে পারি। যেমন আমরা লাস্ট ট্যুর করেছি বেনারস। হঠাৎ দেখলাম দু’জনেরই চারদিনের ছুটি। সকাল উঠে ঠিক করলাম। দুপুরে টিকিট কেটে, রাতে রওনা হয়ে গেলাম,’’ জানালেন অনিন্দিতা। সঙ্গে এও জানালেন যে তিনি যে এবেলা ওয়েবসাইটকে জানিয়েছেন তাঁদের প্রেমের গল্প, সেটা সিদ্ধান্ত এখনও জানেন না— ‘‘আমার তরফ থেকে এটাই আমার ভ্যালেন্টাইন গিফট ভিক্টোকে!’’ 

 

 


Top