আজও সার্টিফায়েড কপি পেলেন না খালেদার আইনজীবীরা | daily-sun.com

আজও সার্টিফায়েড কপি পেলেন না খালেদার আইনজীবীরা

ডেইলি সান অনলাইন     ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ১৬:৪৩ টাprinter

আজও সার্টিফায়েড কপি পেলেন না খালেদার আইনজীবীরা

 

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রায়ের সার্টিফায়েড কপি আজও পেলেন না তার আইনজীবীরা। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, ‘একটু আগে আদালত থেকে জানিয়েছে জজ সাহেব মাত্র সই করেছেন। এখন বাদবাকি টাইপ করে আগামীকাল খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের সার্টিফায়েড কপি দেবে।’

 
তিনি বলেন, ‘কপি দেওয়ার নোটিশ এসেছে, সই আছে, আমরাও দেখলাম।’


এর আগে দুপুরে তিনি জানান, বেগম খালেদা জিয়ার রায়ের সার্টিফায়েড কপি আজ বিকেল ৪টায় পাওয়া যেতে পারে। এবং আজ রায়ের সার্টিফায়েড কপি পাওয়া গেলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল ও খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন করা হবে।


ওই সময় তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার আমরা রায়ের কপি পাইনি। আদালত থেকে বলা হয়েছে- রায়ের কপি আজ সরবরাহ করা হবে। আজ যদি রায়ের কপি পাই, তা হলে পরের দিন বৃহস্পতিবার আপিল করতে পারব। আপিল করার পর যদি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কাস্টডি ওয়ারেন্ট (সিডব্লিউ) বা প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট (পিডব্লিউ) দেয়া হয়, তখন আমরা আদালতে সেগুলো প্রত্যাহারের আবেদন করব।


আর ঢাকার ৫ম বিশেষ জজ আদালতের পেশকার মোকাররম হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘৬৩২ পাতার রায় এতো কম সময়ে সার্টিফায়েড কপি  সরবরাহ করা কষ্টকর।  আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত করতে। আশা করছি আজ বিকাল ৪টার মধ্যে রায়ের কপি সরবরাহ করতে পারবো।’


এর আগে গত সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) আদালতে তিন হাজার ফলিও (যে কাগজে রায়ের নকল দেওয়া হয়) জমা দেন তার আইনজীবীরা।


প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় অপর একটি মামলা করে দুদক। ২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।  গত বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর এবং সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সলিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।


রায়ের পর পরই খালেদা জিয়াকে আদালতের পাশে নাজিমউদ্দিন রোডের ২২৮ বছরের পুরান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। নির্জন এই কারাগারে একমাত্র বন্দি হিসেবে গত এক সপ্তাহ ধরে কারাভোগ করছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

 


Top