গাজীপুরে সিএনজি মালিককে হত্যার দায়ে ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড | daily-sun.com

গাজীপুরে সিএনজি মালিককে হত্যার দায়ে ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

ডেইলি সান অনলাইন     ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ১৭:১৪ টাprinter

গাজীপুরে সিএনজি মালিককে হত্যার দায়ে ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

 

গাজীপুরে মালিককে হত্যা করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের দায়ে চার যুবকের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও তাদের প্রত্যেককে অপর একটি ধারায় ১০ বছরে সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।


গাজীপুরে ছিনতাইয়ের উদ্দেশে সিএনজিচালিত অটোরিকশা মালিককে হত্যার দায়ে ৪ যুবককে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়াও তাঁদের প্রত্যেককে অপর একটি ধারায় ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গাজীপুরের জেলা ও দায়রা জজ এ কে এম এনামুল হক মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এ রায় ঘোষণা করেন।


নিহত খোকা মিয়া নরসিংদীর মনোহরদী থানার দক্ষিণ বারদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।


ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার কালিয়াকুড়ি গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে কামরুল ইসলাম (২৭), গাজীপুরের কাপাসিয়ার ঘাগুটিয়া চালার বাজারের গণি ওরফে সুরুজ মিয়ার ছেলে শওকত (২৮), একই জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাস্টারবাড়ি গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মিজান (২৯) ও নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বাঘবেড় গ্রামের শাহজাহানের ছেলে শাহীন মিয়া (২৯)।


রায়ে মামলার অপর দুই আসামি শিশির সংমা (২৮) ও শওকত নামে একজন অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্যকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।


গাজীপুর আদালতের পরিদর্শক মো. রবিউল ইসলাম জানান, ২০১২ সালের ১৯ জানুয়ারি অটোরিকশাটি ভাড়া করে শ্রীপুর পৌরসভার মাধোখোলা খাসপাড়া এলাকায় আসে কামরুল ইসলাম। দূরের রাস্তা হওয়ায় চালক জসিম অটোরিকশার মালিক খোকা মিয়াকেও সঙ্গে নিয়ে আসেন। অটোরিকশাটি মাধোখোলা এলাকায় একটি জঙ্গলের কাছে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা কামরুলের সহযোগীরা অটোরিকশাটি থামিয়ে খোকা মিয়াকে গলাকেটে হত্যা করে। চালক জসিমকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি আহত অবস্থায় দৌড়ে পালাতে সক্ষম হন। পরে খুনিরা অটোরিকশাটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়।


খবর পেয়ে শ্রীপুর থানার পুলিশ খোকা মিয়ার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় এসআই আবদুস সালাম বাদী হয়ে ওই দিন রাতে শ্রীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় কামরুল ইসলাম ও অজ্ঞাতনামা আরও দুজনকে আসামি করা হয়। পুলিশ তদন্তকালে আরও তিনজনের সম্পৃক্ততা পায়। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৫ মে ৬ জনকে অভিযুক্ত করে গাজীপুর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় ১০জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক মঙ্গলবার এ রায় দেন।


রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী ছিলেন সরকারি কৌঁসুলি মো. হারিছ উদ্দিন আহমেদ এবং আসামিপক্ষে ছিলেন মুবিন খান ও নাসরিন আক্তার মায়া।

 


Top