‘চাকরির কোটা ব্যবস্থা বাতিলে আকবর আলী খানের বক্তব্যের প্রতিবাদ’ | daily-sun.com

‘চাকরির কোটা ব্যবস্থা বাতিলে আকবর আলী খানের বক্তব্যের প্রতিবাদ’

ডেইলি সান অনলাইন     ১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ১১:৩৯ টাprinter

‘চাকরির কোটা ব্যবস্থা বাতিলে আকবর আলী খানের বক্তব্যের প্রতিবাদ’

 

চাকরির কোটা ব্যবস্থা বাতিলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অর্থনিতীবিদ ড. আকবর আলী খানের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ সুশীল সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবদুল মান্নান সরদার। তিনি বলেন, ড. আকবর আলী খান এই বক্তব্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানকে কটাক্ষ করেছেন।

সম্প্রতি ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার সরমহল পুনিহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫০তম ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদযাপন এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এ প্রতিবাদ জানান ডা. আবদুল মান্নান সরদার।


তিনি বলেন, চাকরির ক্ষেত্রে সংবিধানে দেশের ৬৪টি জেলার জনসংখ্যা হার অনুপাতে কোটা ভিত্তিক নিয়োগের কথা বলা আছে। জেলা, অঞ্চল, উপজাতি, পোষ্য, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী, আনসার, মুক্তিযোদ্ধা ইত্যাদি কোটা ভিত্তিক নিয়োগ তারই অনুসরন। কিন্তু সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগ এর আয়োজনে ‘দ্যা প্রেজেন্ট সিভিল সার্ভিস সিস্টেম ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অর্থনিতীবিদ ড. আকবর আলী খান বলেছেন, ‘বাংলাদেশ থেকে এই মূহুর্তে চাকরির কোটা ব্যবস্থা তুলে দেওয়া উচিৎ। কোটার কারণে মেধাবীরা আজ বিপন্ন’।

 

বাংলাদেশ সুশীল সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবদুল মান্নান সরদার


আবদুল মান্নান সরদার বলেন, শহরের বিত্তশালীরা সন্তাদের ৭-৮ টি প্রাইভেট টিউটার দিয়ে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করে নেয়। স্বভাবতই মেধা বিকাশের সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে গ্রাম-গঞ্জের গরিব শিক্ষার্থীরা। তাই তথাকথিত মেধাবীর দৌড়ে গরিব শিক্ষার্থীরা চাকরির ক্ষেত্রে পাত্তা পাবেনা তা হতে পারেনা। 


তিনি বলেন, আগের অগণতান্ত্রিক সামরিক ও স্বৈরাচার সরকারগুলো দীর্ঘ ২২ বছরে মুক্তিযোদ্ধাদের সরকারি চাকরির কোটা দেওয়া থেকে বঞ্চিত রেখেছে। তাই মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের যোগ্যতা ভিত্তিক শতভাগ চাকরির পাওয়ার দাবি জানান মান্নান সরদার।


সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন এ্যাডেভোকেট সামসুদ্দিন হাওলাদার, কুশঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর সিকদার, প্রধান শিক্ষক সেখর চন্দ্র মন্ডল, মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম আলী খানসহ স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রী বৃন্দ।

 


Top