জেন্ডার অ্যান্ড এসআরএইচ কনফারেন্স ফর ইয়াং অ্যাডাল্টস ২০১৮ | daily-sun.com

ব্র্যাক জেপিজি স্কুল অব পাবলিক হেলথ আয়োজনে

জেন্ডার অ্যান্ড এসআরএইচ কনফারেন্স ফর ইয়াং অ্যাডাল্টস ২০১৮

ডেইলি সান অনলাইন     ৩১ জানুয়ারী, ২০১৮ ১৬:৩৩ টাprinter

জেন্ডার অ্যান্ড এসআরএইচ কনফারেন্স ফর ইয়াং অ্যাডাল্টস ২০১৮

 
 
 
 
দ্যা ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ (জেপিজিএপিএইচ)-এ আয়োজিত ‘জেন্ডার অ্যান্ড সেক্সুয়াল অ্যান্ড রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ কনফারেন্স ২০১৮ ফর ইয়াং এডাল্টস’ ৩০-৩১ জানুয়ারি রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দেড়-দিন ব্যাপী এই কনফারেন্স ৩০ জানুয়ারি সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং ৩১ জানুয়ারি সকাল ৮:৩০ থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলবে।  
 
দ্রুত পরিবর্তিনশীল আধুনিক বাংলাদেশের যুব সমাজ সবসময়ই আবেগিক এবং মানসিক ক্ষেত্রে শারীরিক (বিশেষ করে লিঙ্গ-সমতা, সেক্সুয়াল এবং রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ) এর ব্যাপারে স্ব-উন্নয়ন, তথ্য-প্রবেশাধিকার এবং বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের সম্মুখিন হচ্ছে। 
 
 
বাংলাদেশস্থঃ নেদারল্যান্ড এম্বেসি-এর মাননীয় ফার্স্ট সেক্রেটারি ডঃ অ্যানি ভেস্টজেনস্ কনফারেন্সের প্রথম দিন (৩০ জানুয়ারি, ২০১৮) স্পেশাল গেস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করে তাঁদের উদ্বোধনী বক্তৃতা প্রদান করেন। ব্র্যাক জেপিজিএসপিএইচ-এর মাননীয় ডিন ডঃ সাবিনা রশিদ রিসার্চ এবং প্রোগ্রামের বিভিন্ন কর্মকান্ড তুলে ধরে দ্রুত পরিবর্তনশীল শহুরে পরিমন্ডলে এই যুব সমাজের জন্য এসআরএইচআর-এর কী কী পরিবর্তন প্রয়োজন তা ব্যাখ্যা করে কনফারেন্সের উদ্বোধন করেন। 
 
 
 
কনফারেন্সের প্রথম দিন সমন্বিত সহযোগিতা এবং সাম্প্রতিক সময়ের বৈশি^ক, আঞ্চলিক এবং স্থানীয় পরিমন্ডলে স্কলারশিপ, ইমোশনাল ওয়েল-বিইয়িং এবং সেল্ফ-এস্টিম, নেগোশিয়েন্স অব জেন্ডার রোল অ্যান্ড সেক্সুয়ালিটি অ্যান্ড এক্সপেকটেশন-কে তুলে ধরে যুব সমাজের মধ্যকার গতানুগতিক সম্পর্কগুলোয় পরিবর্তন সাধনের উপর আলোকপাত করা হয়। এতে পাবলিক এবং প্রাইভেট বিশ^বিদ্যালয়ের প্রায় ৬৫০ জন শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কর্মরত বিশেষ অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন। এসআরএইচআর-এর ৮টি দেশের (বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, নেদারল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্য) অভিজ্ঞ প্রতিনিধিগণ প্যানেল ডিসকাশনগুলোতে অংশগ্রহণ করেন।
 
 
কনফারেন্সের প্রথম দিনের প্যানেলগুলোতে আবেগিক এবং নতুন যুগের যুব সমাজের জন্য সকল চ্যালেঞ্জের বিপরীতে আবেগিক এবং মানসিক স্ব-উন্নোয়নের প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি লিঙ্গভেদে চিরাচরিত চিন্তাধারা, পুরুষত্ব এবং এগুলোর সাথে সামগ্রিকভাবে সংযুক্ত প্রভাব এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। প্যানেল ডিস্কাশনগুলোয় আধুনিক প্রযুক্তি এবং আধুনিক সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে সেগুলো কীভাবে ডিজিটাল টেকনোলজি এবং সোশাল মিডিয়া কীভাবে সঙ্গী এবং ভালোবাসার সম্পর্কগুলোয় প্রভাব ফেলছে তা নিয়েও বিস্তর আলোচনা হয়।
 
 
বাংলাদেশস্থঃ নেদারল্যান্ড এম্বেসি চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স-এর হেড অব ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন জনাব জেরিয়ন স্টিগস কনফারেন্সের দ্বিতীয় দিন (জানুয়ারি ৩১, ২০১৮) তাঁর উদ্বোধনী বক্তৃতা প্রদান করেন। কনফারেন্সের দ্বিতীয় দিন সেক্সুয়াল অ্যান্ড রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ (এসআরএইচআর)-এর যুব সমাজকে বাংলাদেশের হেলদি অ্যান্ড প্রোডাক্টিভ সিটিজেন হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কর্মকান্ডগুলোর তিনটি বিশেষ থিমের উপর জোর দেয়া হয়। এ বিষয়ে ৩টি ভিন্ন ভিন্ন প্যানেলে আলোচনা হয়। ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, এইড এজেন্সি এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনসমূহ, সরকারী সংস্থা, রিসার্চ, মিডিয়া প্রতিনিধি এবং শিক্ষিত সমাজের প্রায় ৩০০ জন অংশগ্রহণ করে তাঁদের কর্মকান্ড তুলে ধরে পারষ্পরিক আলোচনা করেন। প্যানেলে বক্তাদের মধ্যে সারা হোসেন (সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি এবং বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট-এর মাননীয় এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর), ডঃ মোস্তফা সারওয়ার (বাংলাদেশে সরকার-এর অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি এবং ডিরেক্টরেট অব ফ্যামিলি প্ল্যানিং-এর ডিরেক্টর জেনারেল), রওনক জাহান (বাংলাদেশ সরকার-এর অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি এবং নিপোর্ট-এর ডিরেক্টর জেনারেল), সত্যনারায়ন ডোরাইস্বামি (চীফ অব হেলথ, ইউএনএফপিএ), ফারজানা ব্রাউনিয়া (স্বর্ণকৈশরী ফাউন্ডেশন এর সিইও) এবং কাজী সুরাইয়া সুলতানা (এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, আরএইচএসটিইপি) উপস্থিত ছিলেন। কনফারেন্সের সমাপনী বক্তব্য রাখেন মুশফিকা জামান সাতিয়ার (সিনিয়র এ্যাডভাইজার, এস আর এইচ আর এ্যন্ড জেন্ডার, দ্যা রয়েল নেদারল্যান্ডস এম্বেসি)। দ্বিতীয় দিনের আলোচনামুখর প্যানেলগুলোর প্যানেলগুলোর মাঝে ছিল- শেয়ারিং এক্সপেরিয়েন্স অব ইয়াং পিপল রিগার্ডিং সেক্সুয়ালিটি অ্যান্ড রিলেশনশিপস, দি জেন্ডার সোশাল নর্মস অ্যান্ড এক্সপেকটেশন্স অ্যান্ড ইম্পর্টেন্স অব ডেভেলপিং লাইফ-স্কিলস অব অ্যাডোলেসেন্স, সেন্সরশিপ অব এসআরএইচআর এডুকেশন, অ্যান্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিং অব ইনফর্মড কনসেন্ট অ্যান্ড চয়েস।
 
 
 
ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ (জেপিজিএসপিএইচ), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে: পাবলিক হেলথ সম্পর্কিত অনুল্লেখিত বিষয়গুলোকে নিয়ে (বিশেষ করে এশিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকা-তে) নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যে ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ ঢাকা, বাংলাদেশে ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। স্কুলটির ইনস্টিটিউশনাল পার্টনার হিসেবে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এনজিও ব্র্যাক এবং স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউট আইসিডিডিআরবি। স্কুলটি বিশিষ্ট ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অবস্থিত, যা একটি অন্যতম সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ এবং ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত। জেপিজিএসপিএইচ-এর দি সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর জেন্ডার, সেক্সুয়াল অ্যান্ড রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ রাইটস (সিজিএসআরএইচআর) রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ রাইট অঙ্গনে বাংলাদেশে রিসার্চ, পলিসি, অ্যাডভোকেসি এবং ট্রেনিং অ্যাক্টিভিটি-এর ক্ষেত্রে ইতোমধ্যেই সেন্টার অব এক্সেলেন্স হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তুলেছে। ১৫ জন নিবেদিতপ্রাণ কর্মীর একটি টিম এক্সপ্যানশন অব নলেজ, প্রোমোশন অব ডায়ালগ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ, নেটওয়ার্ক অ্যান্ড পার্টনারশিপ বিল্ডিং, ডিসেমিনেশন অব ইনফরমেশন, অ্যাডভোকেসি ফর চেঞ্জ এবং ক্যাপাসিটি বিল্ডিং-এর ক্ষেত্রে বিস্তৃত রিসার্চ, অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড প্রোগ্রামিং সংক্রান্ত কর্মকান্ডে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে।
 
 

Top