ঢাবিতে গেট ভেঙে উপাচার্যের অফিস ঘেরাও শিক্ষার্থীদের | daily-sun.com

ঢাবিতে গেট ভেঙে উপাচার্যের অফিস ঘেরাও শিক্ষার্থীদের

ডেইলি সান অনলাইন     ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮ ১৫:৩৪ টাprinter

ঢাবিতে গেট ভেঙে উপাচার্যের অফিস ঘেরাও শিক্ষার্থীদের

 

৪ দফা দাবি আদায় না হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩টি গেট ভেঙে উপাচার্যের অফিস ঘেরাও কর্মসুচি পালন করছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘নিপীড়ন বিরোধী শিক্ষার্থীদের ব্যানারে’ এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান তার কার্যালয়েই অবস্থান করছেন।


আন্দোলনকারীদের ৪ দফা দাবি হল- ছাত্রীদের নিপীড়নকারী ছাত্রলীগ নেতাদের বহিষ্কার, প্রক্টরের পদত্যাগ, শিক্ষার্থীদের নামে দেওয়া মামলা প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটিতে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি রাখা।


এ আগে মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে জড়ো হয়ে মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিলটি টিএসসি, কলাভবন, বিজনেস ফ্যাকাল্টি, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ঘুরে উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে আসে।


এক পর্যায়ে মিছিলটি দুপুর ১২টার দিকে সিনেট ভবনের প্রবেশ মুখে প্রধান ফটকের সামনে আসলে  তালা লাগিয়ে সটকে পড়েন কর্মচারীরা।


আন্দোলনকারীরা রড দিয়ে দুটি তালা ভেঙে কার্যালয় প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে।   উপাচার্যের অফিস প্রবেশ এর সময় আরেকটি গেটে তালা লাগানো হয়। সেটিও আনেদালনকারীরা ভেঙে ফেলেন। এই সময় তারা প্রক্টরের পদত্যাগ, মামলা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে।

  উপাচার্যের অফিসের সম্মুখে আরেকটি গেট রয়েছে যেটিতে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। সেটিও রড এবং ইট দিয়ে আঘাত করে ভেঙে ফেলা হয়। বর্তমানে আন্দোলনকারীরা ভিসি অফিসের সামনে অবস্থান গ্রহণ করছে।


আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, আজকে আশ্বাস নয়, আমাদের দাবি বাস্তবায়ন না হলে আমরা এখান থেকে সরবো না।


আন্দোলনকারী ছাত্র ইউনিয়নের ঢাবি শাখার সভাপতি তুহিন কান্তি দাস বলেন, নিপীড়নের বিচার দাবি করায় ছাত্রদের বিরুদ্ধে উল্টা মামলা দেওয়া হয়েছে। আমরা ৪৮ ঘণ্টা অপেক্ষা করেছি। তারা প্রহসনের জন্য সময় নিচ্ছে। আমরা সে প্রহসন বাস্তবায়ন হতে দিবো না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবো।


উল্লেখ্য, রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী’ ব্যানারে গত ১৫ জানুয়ারির আন্দোলন কর্মসূচিতে ছাত্রীদের ওপর ছাত্রলীগের ‘নিপীড়নের’ প্রতিবাদে আন্দোলনের সামনে আসে নিপীড়ন বিরোধী শিক্ষার্থীরা।


নিপীড়ন বিরোধী শিক্ষার্থী ব্যানারে ১৭ জানুয়ারি প্রক্টর অফিস ঘেরাও করা হয়। চার দফা দাবিতে ৪৮ কর্মঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। তবে প্রক্টর কার্যালয় ঘেরাওয়ের সময় ফটক ভাঙচুরের ঘটনায় পরদিন ১৮ জানুয়ারি অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে আসামি করে মামলা দায়ের করে প্রশাসন। এর প্রতিবাদে ওইদিন মধ্যরাতে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করে বিক্ষোভ মিছিল করে শিক্ষার্থীরা।


৪৮ কর্মঘণ্টায় দাবি পূরণ না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের অফিস ঘেরাওয়ের আনেদালন করছে।   

 


Top