তুরাগ তীরে বিশ্বইজতেমায় লাখো মুসল্লির জুমা আদায় | daily-sun.com

তুরাগ তীরে বিশ্বইজতেমায় লাখো মুসল্লির জুমা আদায়

ডেইলি সান অনলাইন     ১৯ জানুয়ারী, ২০১৮ ১৫:৩৯ টাprinter

তুরাগ তীরে বিশ্বইজতেমায় লাখো মুসল্লির জুমা আদায়

 

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হওয়া তাবলিগ জামাতের ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে আজ শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) জুমার নামাজে মুসল্লির ঢল নামে। দুপুর দেড়টায় টঙ্গীর তুরাগ তীরের ইজতেমা ময়দানে বৃহত্তম এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

জুমার নামাজে ইমামতি করেন কাকরাইল মসজিদের ইমাম হাফেজ জোবায়ের।


দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমায় জুমার নামাজে অংশ নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এ সময় তার সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, পুলিশ মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. জাবেদ পাটোয়ারী, গাজীপুর পুলিশ সুপার হারুন-অর-রশিদ।


এর আগে জুমার জামাতে অংশ নিতে লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি সকাল থেকেই গাজীপুর ও এর আশপাশের জেলা থেকে ইজতেমা মাঠে উপস্থিত হন। দুপুর ১২টার আগেই ইজতেমা মাঠ ছাপিয়ে এর আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেন মুসল্লিরা।

 
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী স্টেশন রোড পর্যন্ত মুসল্লিরা জায়নামাজ, পাটি, কাগজ ও পলিথিন বিছিয়ে নামাজ আদায় করেন। এ সময় বিভিন্ন যানবাহন থেকে নেমে যাত্রীদেরও ইজতেমা ময়দানের প্রবেশ মুখে ওজুখানা থেকে ওজু করে নামাজে শরিক হতে দেখা যায়।

 
এর আগে আজ বাদ ফজর আমবয়ান করেন মাওলানা ফারুক। বাদ আসর বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা ইউনুস পলানপুরী, বাদ মাগরিব বয়ান করবেন মাওলানা আহমেদ শরীফ।


ইজতেমা ময়দানের বয়ান ইংরেজি, আরবি, তামিল, মালয়, তুর্কি ও ফরাসি ভাষাসহ বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা হচ্ছে। ইজতেমা ময়দানে বিভিন্ন ভাষাভাষি মুসল্লিরা আলাদা আলাদা বসেন এবং তাদের মধ্যে একজন মূল বয়ানকে তাৎক্ষণিক অনুবাদ করে শোনান।


এদিকে বিশ্ব ইজতেমা ও জুমার নামাজ উপলক্ষে ইজতেমা ময়দান ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে। আজ দুপুরে ইজতেমা ময়দান সংলগ্ন শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে স্থাপিত মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে গাজীপুর পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ। তিনি জানান,  বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য, র‌্যাব, আনসার-ভিডিপি সদস্যরা দিনরাত নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। প্রতিটি খিত্তায় খিত্তায় সাদা পোশাকে পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন। বিদেশি মুসল্লিদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে। সাদা পোশাকে পুলিশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

 


Top