চাল রফতানিতে ভারতের রেকর্ড, বড় ক্রেতা বাংলাদেশ | daily-sun.com

চাল রফতানিতে ভারতের রেকর্ড, বড় ক্রেতা বাংলাদেশ

ডেইলি সান অনলাইন     ১২ জানুয়ারী, ২০১৮ ১৪:২২ টাprinter

চাল রফতানিতে ভারতের রেকর্ড, বড় ক্রেতা বাংলাদেশ

 

বাংলাদেশে বন্যায় ফসলহানির পর চাল আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারত তার রফতানিতে রেকর্ড করতে চলেছে। গত বছরে ভারতের চাল রফতানি ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১২.৩ মিলিয়ন টনে দাঁড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


ভারতীয় কর্মকর্তরা জানান, বিশ্বে শীর্ষ চাল রফতানিকারক ভারতের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে থাইল্যান্ড। কিন্তু দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশটির মজুত ফুরিয়ে গেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও শ্রীলংকা মরিয়া হয়ে চাল আমদানি করায় ২০১৮ সালেও ভারতের রফতানিতে তেজি ভাব অব্যাহত থাকবে।


অন্ধ্রপ্রদেশের শীর্ষস্থানীয় চাল রফতানিকারক শ্রী ললিতার নির্বাহী পরিচালক এম আদিশঙ্কর বলেন, ২০১৭ সালে বছর জুড়ে চাল কিনেছে বাংলাদেশ। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার দেশগুলোতে চাহিদা কিছুটা কমেছে।


বাংলাদেশের আমদানির কারণে ২০১৭ সালে ভারতের বাসমতি ছাড়া অন্যান্য চাল রফতানির প্রবৃদ্ধি ৩৮ শতাংশ এবং এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৮.৪ মিলিয়ন টন হবে বলে মনে হচ্ছে। আর, সার্বিক রফতানি হবে ১২.৩ মিলিয়ন টন। এটা ২০১৪ সালের রেকর্ড ১১.৫ মিলিয়ন টনকে ছাড়িয়ে যাবে।


২০১৭ সালের পুরো হিসাব এখানো পাওয়া যায়নি। উপরের পরিসংখ্যান জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত। ডিসেম্বর শিপমেন্টের হিসাব আরো পরে পাওয়া যাবে। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে ডিসেম্বরের সরকারি হিসাবটি পাওয়া যেতে পারে।


ভারত মূলত আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে বাসমতি ছাড়া অন্য চাল রফতানি করে। আর প্রিমিয়াম বাসমতি রফতানি করা হয় মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও বৃটেনে।


সাধারণভাবে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম চাল উৎপাদক বাংলাদেশ ২০১৭ সালে বড় আকারের চাল আমদানিকারকে পরিণত হয়। বন্যায় ফসলহানি হওয়ায় চালের অভ্যন্তরিণ মূল্য রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়।


২০১৭ সালে বাংলাদেশ তার চাল আমদানির ৮০ শতাংশ তথা ২.৪ মিলিয়ন টন শুধু ভারত থেকে আনে। আগামী গ্রীষ্মে বোরো ফসল না ওঠা পর্যন্ত এই পরিস্থিতি বজায় থাকবে।


বাংলাদেশে উৎপাদিত চালের অর্ধেক হলো বোরো, যার পরিমাণ ৩৫ মিলিয়ন টন।


গত বছর বাংলাদেশ চালের আমদানির ওপর কর কমায়। কিন্তু বড় আকারের আমদানি সত্ত্বেও চাল উচ্চমূলে বিক্রি হচ্ছে।


- সূত্র: সাউথ এশিয়ান মনিটর ডট কম

 


Top